Loading..

২১ অক্টোবর, ২০২৩ ০৯:২৪ অপরাহ্ণ

কীবোর্ড কি ? কিবোর্ডের কয়টি অংশ ও কি কি


কি বোর্ড হলো কম্পিউটার এর একটি অন্যতম প্রধান ইনপুট ডিভাইস। Key বোর্ডের বিকল্প হিসেবে টাচস্ক্রিন, পেন, মাউস, ভয়েস রিকগনিশন আবিষ্কার হয়েছে । কিন্তু তারপরও Key বোর্ড সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস। একটি  Key বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১টি আবার কোন কোন Key বোর্ডে ১০২ থেকে  ১০৪ টি  পর্যন্ত Key থাকে । সাধারণত একটি Key বোর্ডে  পাঁচ ধরণের Key  থাকে । যথা : (১) আলফাবেটিক Key (২) নিউমেরিক Key (৩)অ্যারো Key (৪) ফাংশন Key (৫) বিশেষ Key ।

(১) আলফাবেটিক Key: ইংরেজিতে A থেকে Z পর্যন্ত ২৬ টি অক্ষর  লেখা Key কে আলফাবেটিক Key বলে ।
(২) নিউমেরিক Key: Key বোর্ডের ডান পার্শে ০ থেকে  ৯ পর্যন্ত লেখা Key গুলোকে নিউমেরিক Key বলে ।
(৩)অ্যারো Key: Key বোর্ডের ডান দিকে  আলফাবেটিক Key এবং নিউমেরিক Key এর মাঝে আলাদা ভাবে যে ৪টি Key থাকে এই Key গুলোকে অ্যারো Key বলে ।
(৪) ফাংশন Key: Key বোর্ডের উপরের অংশে এক লাইনে F1 থেকে F12 পর্যন্ত  লেখা ১২টি Key কে ফাংশন Key বলে ।
(৫) বিশেষ Key: উপরে উল্লেখিত Key গুলো ছাড়াও Key বোর্ডে বেশ কিছু Key আছে যেগুলো বিশেষ বিশেষ কার্য সম্পাদন করে তাই এদেরকে বিশেষ Key বলে ।

যেমন :

Home Key: Home Key একবার চাপলে কার্সর  একটি লাইনের শেষ থেকে  শুরুতে যাবে এবং (Ctrl +Home ) চাপলে কার্সর কোন ডকুমেন্টের বা ওয়ার্কশীটের শেষ থেকে  শুরুতে যাবে ।
End Key: End Key একবার চাপলে কার্সর একটি লাইনের শুরু থেকে শেষে যাবে এবং (Ctrl+End  ) চাপলে কার্সর কোন ডকুমেন্টের বা ওয়ার্কশীটের শুরু থেকে  শেষে যাবে ।

Esc : এই Key এর সাহায্যে কোনো কমান্ড বাতিল করতে হয়।
Page Down : এই Key একবার চাপলে Page এক Screen নিচে যাবে।
Page Up : এই Key একবার চাপলে Page এক Screen উপরে যাবে।
Caps Lock : এই Key ব্যবহার করে ইংরেজি ছোট হাতের ও বড় হাতের লেখা টাইপ করা হয়।
Num Look : এই Key  চেপে রাখলে নিউমেরিক Key গুলো চালু থাকে ।
Backspace : কোন লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই Key ব্যবহার করা হয়।

Delete : এই Key একবার চাপলে কার্সরের ডানে এক বর্ণ মুছে যাবে। আর লেখা select করে Delete চাপলে সিলেক্টকৃত সমস্ত লেখা মুছে যাবে।
Tab : Screen এ প্যারাগ্রাফ, কলাম, নম্বর, অনুচ্ছেদ শুরুর স্থান ইত্যাদি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুতের জন্য এই Key ব্যবহার করা হয়।

কি বোর্ড হলো কম্পিউটার এর একটি অন্যতম প্রধান ইনপুট ডিভাইস। Key বোর্ডের বিকল্প হিসেবে টাচস্ক্রিন, পেন, মাউস, ভয়েস রিকগনিশন আবিষ্কার হয়েছে । কিন্তু তারপরও Key বোর্ড সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস। একটি  Key বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১টি আবার কোন কোন Key বোর্ডে ১০২ থেকে  ১০৪ টি  পর্যন্ত Key থাকে । সাধারণত একটি Key বোর্ডে  পাঁচ ধরণের Key  থাকে । যথা : (১) আলফাবেটিক Key (২) নিউমেরিক Key (৩)অ্যারো Key (৪) ফাংশন Key (৫) বিশেষ Key ।

(১) আলফাবেটিক Key: ইংরেজিতে A থেকে Z পর্যন্ত ২৬ টি অক্ষর  লেখা Key কে আলফাবেটিক Key বলে ।
(২) নিউমেরিক Key: Key বোর্ডের ডান পার্শে ০ থেকে  ৯ পর্যন্ত লেখা Key গুলোকে নিউমেরিক Key বলে ।
(৩)অ্যারো Key: Key বোর্ডের ডান দিকে  আলফাবেটিক Key এবং নিউমেরিক Key এর মাঝে আলাদা ভাবে যে ৪টি Key থাকে এই Key গুলোকে অ্যারো Key বলে ।
(৪) ফাংশন Key: Key বোর্ডের উপরের অংশে এক লাইনে F1 থেকে F12 পর্যন্ত  লেখা ১২টি Key কে ফাংশন Key বলে ।
(৫) বিশেষ Key: উপরে উল্লেখিত Key গুলো ছাড়াও Key বোর্ডে বেশ কিছু Key আছে যেগুলো বিশেষ বিশেষ কার্য সম্পাদন করে তাই এদেরকে বিশেষ Key বলে ।

যেমন :

Home Key: Home Key একবার চাপলে কার্সর  একটি লাইনের শেষ থেকে  শুরুতে যাবে এবং (Ctrl +Home ) চাপলে কার্সর কোন ডকুমেন্টের বা ওয়ার্কশীটের শেষ থেকে  শুরুতে যাবে ।
End Key: End Key একবার চাপলে কার্সর একটি লাইনের শুরু থেকে শেষে যাবে এবং (Ctrl+End  ) চাপলে কার্সর কোন ডকুমেন্টের বা ওয়ার্কশীটের শুরু থেকে  শেষে যাবে ।

Esc : এই Key এর সাহায্যে কোনো কমান্ড বাতিল করতে হয়।
Page Down : এই Key একবার চাপলে Page এক Screen নিচে যাবে।
Page Up : এই Key একবার চাপলে Page এক Screen উপরে যাবে।
Caps Lock : এই Key ব্যবহার করে ইংরেজি ছোট হাতের ও বড় হাতের লেখা টাইপ করা হয়।
Num Look : এই Key  চেপে রাখলে নিউমেরিক Key গুলো চালু থাকে ।
Backspace : কোন লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই Key ব্যবহার করা হয়।

Delete : এই Key একবার চাপলে কার্সরের ডানে এক বর্ণ মুছে যাবে। আর লেখা select করে Delete চাপলে সিলেক্টকৃত সমস্ত লেখা মুছে যাবে।
Tab : Screen এ প্যারাগ্রাফ, কলাম, নম্বর, অনুচ্ছেদ শুরুর স্থান ইত্যাদি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুতের জন্য এই Key ব্যবহার করা হয়।
Pause Break : কম্পিউটারে কোন লেখা যদি দ্রুত গতির জন্য পড়তে অসুবিধা হয় তা হলে এই Key চেপে তা পড়া যায়।
Print Screen : কম্পিউটারের পর্দার দৃশ্যত যা কিছু থাকে তা সব প্রিন্ট করতে চাইলে এই Key ব্যবহার করতে হয়।
Alt : বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়ার জন্য এই Key ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন কমান্ড তৈরী করা যায়।

Shift : একই ওয়ার্ডের মধ্যে বা শুরুতে বড় ও ছোট অক্ষর টাইপ করতে এই Key ব্যবহার করা হয়। যেমন : Bangladesh, Dhaka শব্দ দুটি লিখতে প্রথম অক্ষরে শিফ্ট Key চেপে ধরে এবং পরের অক্ষরগুলো শিফ্ট Key ছেড়ে দিয়ে লিখতে হবে। আর বাংলা অক্ষর বা বর্ণমালা লেখার ক্ষেত্রে অক্ষর বিন্যাস্ত Key এর উপরের ও নিচের লেখা টাইপের জন্য এই Key ব্যবহার করা হয়। এছাড়া শিফ্ট Key এর সাথে ফাংশন Key চেপে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া হয়।

Ctrl : এই Key এর সাথে বিশেষ Key একসাথে চেপে কমান্ড দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীর সুবিধার জন্য Keyবোর্ডের ডানে ও বামে ২টি Ctrl Key থাকে ।
Enter : কম্পিউটারকে কোন নির্দেশ দিয়ে তা কার্যকর করতে এই Key ব্যবহার হয়। লেখালেখির জন্য নতুন প্যারা তৈরী করতেও এই Key ব্যবহার করা হয়।
Insert : কোন লেখার মাঝে কোন কিছু লিখলে তা সাধারণত লেখার ডান দিকে লেখা হয়, কিন্তু এই Key চেপে লিখলে তা পূর্ববর্তী বর্ণের উপরে ওভার রাইটিং হয়। কাজ শেষে আবার এই Key চাপলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
Space Bar : Key  বোর্ডের Key গুলোর মধ্যে এই Key টি সবচেয়ে লম্বা কোন বাক্য লেখার সময় শব্দ গুলোর মাঝে ফাঁকা করার জন্য এই Key ব্যবহার করা হয়।

মন্তব্য করুন