Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০৭:৫৯ অপরাহ্ণ

ফ্লেক্সিবিলিটির ব্যায়াম (Flexibility Exercise)

ফ্লেক্সিবিলিটির ব্যায়াম (Flexibility Exercise):

ফ্লেক্সিবিলিটি ব্যায়াম হলো এমন ধরনের ব্যায়াম যা দেহের মাংসপেশি, জয়েন্ট ও গোড়ালি নমনীয় করে, শরীরের আন্দোলন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এগুলি নিয়মিত করলে শরীরের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায় এবং দৈনন্দিন কাজ, খেলাধুলা বা অন্যান্য শারীরিক কর্মকাণ্ড সহজ হয়।

করণবিধি:

ওয়ার্ম-আপ: ব্যায়াম শুরু করার আগে হালকা জগিং বা হাঁটা করতে হবে।

স্ট্রেচিং:

১। হাত উপরে তুলে বা পাশে করে ধীরে ধীরে টান দিয়ে রাখবে।

২। পা সামনে, পেছন বা পাশে প্রসারিত করে স্ট্রেচ করবে। 

৩। কোমড় ও পিঠের পেশি টানিয়ে রাখতে হবে।

স্ট্রেচ প্রায় ১৫-৩০ সেকেন্ড ধরে রাখতে হবে।

দেহে কোনো ব্যথা বা চাপ অনুভূত হলে স্ট্রেচ থামাতে হবে।
ব্যায়ামের শেষে হালকা শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে শিথিল হতে হবে।

উপকারিতা:

১। শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়।

২। পেশি ও জয়েন্টের খসখসে ভাব কমে।

৩। আঘাত ও চোটের ঝুঁকি কমে।

৪। শরীরের সঠিক ভঙ্গি ও সমন্বয় বৃদ্ধি পায়।

৫। শারীরিক কর্মক্ষমতা ও খেলাধুলার দক্ষতা বাড়ায়।

সতর্কতা:

১। স্ট্রেচিং করার সময় অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করা উচিত নয়।

২। ব্যথা অনুভূত হলে ব্যায়াম বন্ধ করতে হবে।

৩। হঠাৎ ঝাঁপ বা লাফের মাধ্যমে স্ট্রেচ করা উচিত নয়।

৪। নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে; মাঝে মাঝে করলেই কার্যকারিতা কম।

ফ্লেক্সিবিলিটির ব্যায়াম শরীরের নমনীয়তা ও স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত স্ট্রেচিং ও ফ্লেক্সিবিলিটি অনুশীলনের মাধ্যমে পেশি ও জয়েন্ট সুস্থ থাকে, আঘাতের ঝুঁকি কমে এবং দৈনন্দিন কাজ ও খেলাধুলায় দেহের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তবে সব সময় ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যায়াম করতে হবে, অতিরিক্ত চাপ বা ব্যথা এড়াতে। ফ্লেক্সিবিলিটি অনুশীলন করলে শরীর শুধু ফিট থাকে না, মনও প্রফুল্ল ও সতেজ থাকে।

 

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট