Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০২:৪৯ অপরাহ্ণ

গার্ল গাইডের আট দফা কর্মসূচি

গার্ল গাইডের আট দফা কর্মসূচি: গার্ল গাইডের আট দফা কর্মসূচি রয়েছে। এই আট দফা কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে গাইডরা গাইডিং উপভোগ করে ও সর্বক্ষেত্রে নিজেদের যুগোপযোগী করে গড়ে তোলে। গাইডের প্রতিজ্ঞা ও মূলমন্ত্র রক্ষা করতে হলে এসব কর্মসূচি অনুশীলনের মাধ্যমে তারা নিজেকে তৈরি করে নিতে পারে।

আট দফা কর্মসূচি-

১। চরিত্র গঠন।

২। নিজেকে জানা।

৩। সৃজনশীল ক্ষমতা অর্জন।

৪।  পরস্পরকে জানা।

৫। সেবাব্রতে প্রস্তুত থাকা।

৬। গৃহকর্মে দক্ষতা অর্জন।

৭। বাইরের জগৎ থেকে আনন্দ আহরণ।

৮। শারীরিক উপযুক্ততা অর্জন।

এসব কর্মসূচির মাধ্যমে গাইডেরা নিজেদেরকে দেশের উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। এগুলো সুমাতা, সুনাগরিক, স্রষ্টার প্রতি ভক্তি এবং অপরের মঙ্গলার্থে নিজের স্বার্থত্যাগের মনোবৃত্তি জাগিয়ে তোলে। স্বাস্থ্যসম্মত ও আনন্দদায়ক কাজকর্মের মাধ্যমে গাইডিং মানসিক গুণাবলির বিকাশ ও চিন্তাশক্তির উৎকর্ষ সাধন করে। গাইডরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এই কর্মসূচি স্বাস্থ্য উন্নয়নে, সমাজসেবায় এবং হস্তশিল্পে নৈপুণ্য অর্জনের জন্য পালিত হয়। এগুলো বাস্তবায়নের জন্য গাইডদের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়া হয়। গাইডরা ক্যাম্পিং ও হাইকিংয়ের মাধ্যমে চারিত্রিক দৃঢ়তা অর্জন করে এবং যেকোনো পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। গার্ল গাইডরা সমাজসেবামূলক কাজকর্মের দ্বারা দেশের দুর্যোগ যথা- বন্যা, ঘূর্ণিঝড় প্রভৃতি জরুরি ভিত্তিতে মোকাবেলা করতে পারে। হস্তশিল্প, বুনন, সবজি বা ফুলের বাগান করা, অতিথি সেবা, রান্না করা ইত্যাদি কর্মসূচিতেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাছাড়া স্বাস্থ্য, প্রাথমিক চিকিৎসা, খেলাধুলা, ব্যায়াম ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা গার্ল গাইড কর্মসূচিতে আছে। এই কর্মসূচি তিনটি বিশেষ প্রতিজ্ঞা, দশটি নিয়ামবলির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

একজন গাইডকে সুকন্যা, সুগৃহিণী ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গার্ল গাইড কর্মসূচি প্রণীত হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ গার্ল গাইড অ্যাসোসিয়েশন সারা দেশে এর অঙ্গ শাখাসমূহের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট