সহকারী শিক্ষক
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৫, প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি A New Era of Primary Education Assessment Begins in 2025!
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ পঞ্চম
বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ১
২০২৫ সালের প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা সম্পর্কিত তথ্য
আপনার প্রদত্ত ছবিটি "প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৫, প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি"-কে নির্দেশ করে। এই নির্দেশিকাটি বাংলাদেশের নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রমের অধীনে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির প্রধান দিকসমূহ:
নতুন শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়ন: বাংলাদেশ সরকার একটি নতুন যোগ্যতা-ভিত্তিক শিক্ষাক্রম চালু করেছে। এই শিক্ষাক্রমটি ২০২৩ সাল থেকে প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে চালু হয়েছে। ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে এটি বাস্তবায়িত হবে।
সৃজনশীলতা ও মুখস্থ-নির্ভরতার অবসান: নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মুখস্থ করার প্রবণতা থেকে বের করে এনে তাদের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা।
মূল্যায়নের দুটি অংশ: শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন দুটি ভাগে বিভক্ত হবে। এর মধ্যে ৬৫% হবে লিখিত পরীক্ষা এবং বাকি ৩৫% কার্যক্রম-ভিত্তিক। কার্যক্রম-ভিত্তিক মূল্যায়নের মধ্যে থাকবে অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন, গবেষণা, সমস্যা সমাধান এবং পরিকল্পনার মতো কাজ।
ফলাফল প্রকাশ: বছরের শেষে, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন একটি পরীক্ষার মাধ্যমে করা হবে এবং তাদের ফলাফল নম্বর বা গ্রেডের পরিবর্তে ত্রিভুজ, বর্গক্ষেত্র বা বৃত্তের মতো প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।
যোগ্যতা-ভিত্তিক মূল্যায়ন: এই নতুন পদ্ধতিটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে তাদের যোগ্যতা মূল্যায়ন করবে।
মূল্যায়ন কাঠামো:
শিখনকালীন মূল্যায়ন: চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের ৬০% মূল্যায়ন শিখনকালীন সময়ে অর্থাৎ ক্লাস চলাকালীন সময়ে করা হবে।
সামষ্টিক মূল্যায়ন: বাকি ৪০% মূল্যায়ন হবে সামষ্টিক, যা বছরে দুইবার অনুষ্ঠিত হবে - প্রথমটি বছরের মাঝামাঝি এবং দ্বিতীয়টি বছরের শেষে।