সিনিয়র শিক্ষক
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:৫২ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-১
দ্বিমুখী যোগাযোগে টেলিফোন
দ্বিমুখী যোগাযোগ হলো এমন যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে প্রেরক ও গ্রাহক উভয়েই একে অপরের সাথে সরাসরি বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। টেলিফোন দ্বিমুখী যোগাযোগের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম।
টেলিফোনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির সাথে সরাসরি কথা বলতে পারেন। এখানে একজন কথা বললে অপরজন তা সঙ্গে সঙ্গে শুনতে পান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উত্তর দিতে পারেন। ফলে প্রশ্ন, ব্যাখ্যা, মতামত ও অনুভূতি তাৎক্ষণিকভাবে বিনিময় করা সম্ভব হয়। এই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াই টেলিফোনকে দ্বিমুখী যোগাযোগের কার্যকর মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
দ্বিমুখী যোগাযোগে টেলিফোনের বড় সুবিধা হলো-দ্রুততা ও ব্যক্তিগত সংযোগ। জরুরি তথ্য আদান-প্রদান, পারিবারিক যোগাযোগ, ব্যবসায়িক আলোচনা, শিক্ষা ও প্রশাসনিক কাজে টেলিফোনের ব্যবহার ব্যাপক। দূরত্বের বাধা অতিক্রম করে অল্প সময়ে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়, যা সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে টেলিফোনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
তবে টেলিফোন যোগাযোগে দৃশ্যমান ভাবভঙ্গি বা অঙ্গভঙ্গি দেখা যায় না, যা কখনো কখনো বার্তা পুরোপুরি বোঝার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে। তবুও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ও সরাসরি কথোপকথনের সুবিধার কারণে দ্বিমুখী যোগাযোগে টেলিফোন একটি অত্যন্ত কার্যকর ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।