Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৯:১৯ অপরাহ্ণ

মাটির গঠন প্রক্রিয়া
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ১২.০৭ # 
মাটির গঠন বলতে মূলত খনিজ কণা (বালি, পলি, কাদা), জৈব পদার্থ, পানি এবং বায়ুর এক জটিল মিশ্রণকে বোঝায়, যা শিলা ক্ষয়, জৈব পদার্থের পচন এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়, যেখানে কণাগুলো কীভাবে বিন্যস্ত (এগ্রিগেট) হয় তা মাটির জল ধারণ, বায়ু চলাচল ও পুষ্টি পরিবহনের ক্ষমতা নির্ধারণ করে। এই গঠনটি মাটিকে বিভিন্ন স্তরে (Horizons) ভাগ করে, যা তাদের রঙ, গঠন ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যে ভিন্ন হয়। 
মাটির প্রধান উপাদান:
  • খনিজ পদার্থ (৪৫%): বালি, পলি ও কর্দম কণার মিশ্রণ; শিলা বিচূর্ণিত হয়ে তৈরি হয়।
  • জৈব পদার্থ (৫%): মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অংশ (হিউমাস); পুষ্টি সরবরাহ করে।
  • পানি (২৫%): পুষ্টি উপাদান দ্রবীভূত করে।
বায়ু (২৫%): মূলের শ্বাস-প্রশ্বাস ও অণুজীবের জন্য অপরিহার্য। 
মাটির গঠন (Soil Structure) বলতে কী বোঝায়:
  • মাটির গঠন বলতে মাটির কণাগুলো (বালি, পলি, কাদা) কীভাবে একত্রে লেগে থাকে (এগ্রিগেট তৈরি করে) এবং তাদের মধ্যে যে ফাঁকা স্থান (Pore Space) তৈরি হয়, সেই বিন্যাসকে বোঝায়।
  • গুরুত্ব: ভালো গঠনযুক্ত মাটি সহজে চাষ করা যায়, পানি ও বায়ু চলাচল ভালো হয় এবং মূলের বৃদ্ধি সহজ হয়। 
মাটি গঠনের প্রক্রিয়া (Pedogenesis):
  • শিলা ক্ষয় (Weathering), জৈব পদার্থের সংযোজন এবং অণুজীবের কার্যকলাপের মাধ্যমে মাটি গঠিত হয় এবং এর স্তরবিন্যাস (Horizon) তৈরি হয়। 
প্রকারভেদ:

  • দানাদার গঠন: সহজে ভেঙে যায়, চাষের জন্য ভালো।
  • পলি ও কর্দমযুক্ত গঠন: এঁটেল মাটি, পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি কিন্তু নিষ্কাশন কম, ভিজলে আঠালো হয়। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট