Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৯:০৪ পূর্বাহ্ণ

সি-মি-উই-৪ (SEA-ME-WE-4) ও সি-মি-উই-৫ (SEA-ME-WE-5)
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ পৃষ্ঠা নং- ৩৫ # 
সি-মি-উই-৪ (SEA-ME-WE-4) ও সি-মি-উই-৫ (SEA-ME-WE-5) হলো দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাবমেরিন অপটিক্যাল ফাইবার কেবল সিস্টেম, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম ইউরোপের মধ্যে ইন্টারনেট ও ভয়েস ট্র্যাফিক বহন করে, বাংলাদেশের ইন্টারনেট সংযোগ ও ব্যান্ডউইডথ বৃদ্ধিতে এদের ভূমিকা অপরিসীম; বাংলাদেশ ২০০৬ সালে সি-মি-উই-৪ এবং ২০১৭ সালে সি-মি-উই-৫-এর সাথে যুক্ত হয়, যা দেশের ডিজিটাল যোগাযোগকে শক্তিশালী করেছে। 
  • পুরো নাম: South East Asia - Middle East - Western Europe 4 (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া - মধ্যপ্রাচ্য - পশ্চিম ইউরোপ ৪)।
  • সংযোগ: এটি বাংলাদেশসহ প্রায় ১৬টি দেশের মধ্যে টেলিযোগাযোগ স্থাপন করে।
  • বাংলাদেশের জন্য গুরুত্ব: বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল হিসেবে এটি দেশের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ও সক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। 
  • পুরো নাম: South East Asia - Middle East - Western Europe 5 (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া - মধ্যপ্রাচ্য - পশ্চিম ইউরোপ ৫)।
  • ক্ষমতা: এটি সি-মি-উই-৪ এর চেয়ে অনেক বেশি ব্যান্ডউইডথ (প্রায় ২৪ টেরাবাইট/সেকেন্ড) সরবরাহ করতে সক্ষম।
  • বাংলাদেশের জন্য গুরুত্ব: দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল হিসেবে এটি দেশের ইন্টারনেট অবকাঠামোকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করেছে। 
মূল পার্থক্য ও গুরুত্ব:
  • সি-মি-উই-৪ ও সি-মি-উই-৫ উভয়ই বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যাকবোন-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা আন্তর্জাতিক ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে।
  • সি-মি-উই-৫ তুলনামূলকভাবে নতুন এবং অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন হওয়ায় এটি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ইন্টারনেট চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট