Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১১ জুন, ২০২৬ ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ

হিসাববিজ্ঞানের দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি

হিসাববিজ্ঞানের দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতির মূল ভিত্তি অর্থাৎ ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের নিয়মগুলো আলোচনা করা হয়েছে। নিচে এর একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ দেওয়া হলো:

১. সম্পদ (Assets)

লেনদেনের ফলে সম্পদ বাড়লে ডেবিট হয় এবং কমলে ক্রেডিট হয়।

  • উদাহরণ: আসবাবপত্র কিনলে সম্পদ বৃদ্ধি পায় (ডেবিট), আবার বিক্রি করলে হ্রাস পায় (ক্রেডিট)।

২. দায় (Liabilities)

দায়ের ক্ষেত্রে নিয়ম সম্পদের ঠিক উল্টো। দায় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট এবং হ্রাস পেলে ডেবিট হয়।

  • উদাহরণ: ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে দায় বাড়ে (ক্রেডিট), কিস্তি পরিশোধ করলে দায় কমে (ডেবিট)।

৩. মালিকানা স্বত্ব (Owner's Equity)

ব্যবসায় মালিকের মূলধন বাড়লে মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি পায় যা ক্রেডিট হয়। মালিক টাকা উত্তোলন করলে স্বত্ব কমে যা ডেবিট হয়।

৪. রেভিনিউ বা আয় (Revenue)

আয় মূলত মালিকানা স্বত্বকে বাড়িয়ে দেয়। তাই আয় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট এবং হ্রাস পেলে ডেবিট হয়।

৫. ব্যয় (Expenses)

ব্যয় আয়ের বিপরীত। ব্যয় বৃদ্ধি পেলে মালিকানা স্বত্ব কমে যায়, তাই ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট এবং হ্রাস পেলে ক্রেডিট হয়।

সহজ মনে রাখার উপায়:

            সব-আদম= সম্পদ,ব্যয় ও আয়,দায়, মালিকানাস্বত্ব

  • সম্পদ ও ব্যয়: বৃদ্ধি পেলে ডেবিট, হ্রাস পেলে ক্রেডিট।

  • দায়, আয় ও মালিকানা স্বত্ব: বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট, হ্রাস পেলে ডেবিট।

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট