সহকারী অধ্যাপক
১৬ জুন, ২০২৬ ০৩:১৩ অপরাহ্ণ
সহকারী অধ্যাপক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-৫
বাস্তুসংস্থানের উপাদান: চিত্রটি একটি পুকুরের সজীব বাস্তুতন্ত্রকে দেখায়, যেখানে জীব উপাদান (উদ্ভিদ ও প্রাণী) এবং জড় উপাদান (সূর্যালোক, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড) একে অপরের সাথে যুক্ত।
সূর্যালোক ও শক্তির উৎস: পুকুরের বাস্তুসংস্থানে শক্তির মূল উৎস হলো সূর্যালোক, যা চিত্রটির কেন্দ্রে অবস্থিত এবং এটি উৎপাদকদের খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
উৎপাদক (Producers): ফাইটোপ্লাংকটন (যেমন- স্পাইরোগাইরা) এবং জলজ উদ্ভিদ (শাপলা, পদ্ম) হলো পুকুরের প্রাথমিক উৎপাদক, যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে।
প্রথম স্তরের খাদক (Primary Consumers): জু plankton, শামুক এবং বিভিন্ন পতঙ্গের লার্ভা উৎপাদকদের খেয়ে বেঁচে থাকে, যাদের প্রথম স্তরের খাদক বলা হয়।
দ্বিতীয় স্তরের খাদক (Secondary Consumers): ছোট পুঁটি মাছ, ব্যাঙাচি এবং ব্যাঙ হলো দ্বিতীয় স্তরের খাদক, যারা প্রথম স্তরের খাদকদের আহার হিসেবে গ্রহণ করে।
তৃতীয় স্তরের খাদক (Tertiary Consumers): বড় রুই মাছ, মাছরাঙা, বক এবং জলজ সাপ হলো এই বাস্তুতন্ত্রের শীর্ষ বা তৃতীয় স্তরের খাদক।
বিয়োজক (Decomposers): পুকুরের তলদেশে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক মৃতদেহ ও রেচন পদার্থকে পচিয়ে পুনরায় পুষ্টি উপাদান মাটিতে ও পানিতে ফিরিয়ে দেয়।
খাদ্য শৃঙ্খল ও শক্তি প্রবাহ: চিত্রের বাম পাশে একটি স্পষ্ট প্রবাহচিত্রের (Flowchart) মাধ্যমে উৎপাদক থেকে শুরু করে খাদক ও বিয়োজক পর্যন্ত শক্তির ধারাবাহিক প্রবাহ দেখানো হয়েছে।
পুকুরের বিভিন্ন অঞ্চল (Zones): চিত্রটিতে পুকুরকে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করা হয়েছে—যেমন আলোর উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ফোটিক (Photic) ও অ্যাফোটিক (Aphotic) অঞ্চল এবং গভীরতার ওপর ভিত্তি করে লিটোরাল ও বেনথিক অঞ্চল।
গ্যাসীয় আদান-প্রদান: বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে পানিতে জলজ প্রাণীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেন ($O_2$) এবং উদ্ভিদের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইডের ($CO_2$) আদান-প্রদান চিত্রটিতে চক্রাকারে দেখানো হয়েছে।