Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

১৬ জুন, ২০২৬ ০৮:৩৪ অপরাহ্ণ

শ্রেণী-৯ম, বিষয়:তথ্যওযোগাযোগ প্রযুক্তি, অধ্যায় : প্রথম, পাঠ: ই- সার্ভিস ও বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ই-সার্ভিস বা ইলেকট্রনিক সার্ভিসের মাধ্যমে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্পের সফল বাস্তবায়নের পর, বর্তমানে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ই-গভর্নেন্স ও ডিজিটাল সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। [1, 2, 3]
ই-সার্ভিস ও ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রধান অর্জনসমূহ:
  • কেন্দ্রীয় পোর্টাল (myGov): myGov (mygov.bd) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের শত শত নাগরিক সেবা এক ছাতার নিচে নিয়ে আসা হয়েছে। ফলে ঘরে বসেই যেকোনো নাগরিক সহজেই বিভিন্ন সরকারি সেবার আবেদন ও ফি প্রদান করতে পারছেন। [1]
  • ই-নামজারি: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-মিউটেশন বা ই-নামজারি সিস্টেমের কারণে জমির মালিকানা পরিবর্তন ও রেকর্ড সংশোধনের কাজ অনেক দ্রুত এবং স্বচ্ছ হয়েছে।
ডিজিটাল সেন্টার: তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পৌঁছে দিতে ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে হাজার হাজার ডিজিটাল সেন্টার কাজ করছে, যেখান থেকে নাগরিকরা জন্মনিবন্ধন, জমির পর্চা ও সরকারি ফরমের মতো জরুরি সেবা গ্রহণ করছেন। [1, 2]মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (MFS): বিকাশ, নগদ বা উপায়ের মতো মোবাইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন, সরকারি ভাতা বিতরণ, এবং বিল পরিশোধ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড হয়েছে। [1, 2]কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা: টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা এবং কৃষকদের জন্য কৃষি বাতায়নের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে। [1]শিক্ষা ই-সেবা: প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত ই-বুক সেন্টার, অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া, এবং বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট সত্যায়নের কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হচ্ছে। [1, 2]

ই-গভর্নেন্স উন্নয়ন প্রতিবেদন:
জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (EGDI) অনুযায়ী, ই-সার্ভিস ও অনলাইন সেবা সূচকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও শক্তিশালী দেশ। অনলাইন সার্ভিস ইনডেক্সে (OSI) বাংলাদেশের পারফরম্যান্স বিশ্ব গড়ের চেয়েও অনেক ভালো।
মন্তব্য করুন