Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

১৬ জুন, ২০২৬ ০৮:৪৯ অপরাহ্ণ

শ্রেণী-১০ম, বিষয়:তথ্যওযোগাযোগ প্রযুক্তি, অধ্যায় : প্রথম, পাঠ: ই- গভ্যারন্যান্স ও বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ই-গভর্ন্যান্স হলো তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করার একটি আধুনিক ব্যবস্থা। এটি সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্নীতি হ্রাস, সময় ও খরচ সাশ্রয় এবং জনগণের জীবনমান উন্নত করতে কাজ করে। [1, 2, 3, 4]
ই-গভর্ন্যান্সের মূল লক্ষ্য
  • স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: সরকারি কাজে দালালের দৌরাত্ম্য ও ঘুষ লেনদেন কমানো।
  • নাগরিক সুবিধা: নাগরিকরা যেন ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৭ দিন নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে সেবা গ্রহণ করতে পারে।
  • সহযোগিতা: সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধি। [1, 2, 3, 4]
বাংলাদেশে ই-গভর্ন্যান্সের উল্লেখযোগ্য অর্জন ও সেবা
  • অনলাইন সেবা: জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট আবেদন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, এবং আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া এখন ঘরে বসেই অনলাইনে করা যায়।
  • ডিজিটাল সেন্টার: সারা দেশে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
  • ই-নামজারি: ভূমি বা জমির মালিকানা পরিবর্তন ও রেকর্ড সংশোধনের কাজ এখন ই-নামজারি সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অনলাইনে করা হয়।
  • ই-টেন্ডারিং (e-GP): সরকারি কেনাকাটা বা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি রোধে ও স্বচ্ছতা আনতে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (e-GP) পদ্ধতি চালু রয়েছে।
  • জাতীয় তথ্য বাতায়ন: সরকারি সকল দপ্তরের তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে পেতে বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন চালু করা হয়েছে। [1, 2, 3]
বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ
উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও, দেশে ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— তৃণমূল পর্যায়ে ডিজিটাল সাক্ষরতার অভাব, সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি, এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব
মন্তব্য করুন