Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২১ জুন, ২০২৬ ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

দ্রাব্যতা: দ্রাব ও দ্রাবকের মিশ্রন।

দ্রাব্যতা কী?

একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় $100\text{ g}$ দ্রাবককে (যেমন: পানি) নিয়ে তাতে কোনো দ্রব (যেমন: লবণ বা চিনি) অল্প অল্প করে মিশিয়ে নাড়তে থাকলে একপর্যায়ে দেখা যাবে দ্রবটি আর দ্রবীভূত হচ্ছে না এবং তা পাত্রের নিচে জমা হচ্ছে। এই অবস্থাকে বলা হয় সম্পৃক্ত দ্রবণ। এই সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করতে সর্বোচ্চ যত গ্রাম দ্রব প্রয়োজন হলো, সেই পরিমাণকেই ওই তাপমাত্রায় ওই দ্রবের দ্রাব্যতা বলে।

মূল উপাদানসমূহ

  • দ্রাবক (Solvent): যার মধ্যে কোনো কিছু দ্রবীভূত করা হয় (যেমন: পানি)।

  • দ্রব (Solute): যা দ্রাবকের মধ্যে গলে যায় বা দ্রবীভূত হয় (যেমন: লবণ বা চিনি)।

  • দ্রবণ (Solution): দ্রব ও দ্রাবকের মিশ্রণে যা তৈরি হয়।

দ্রাব্যতা যে বিষয়গুলোর ওপর নির্ভরশীল

১. দ্রব ও দ্রাবকের প্রকৃতি: "Like dissolves like" নীতি অনুযায়ী পোলার দ্রব (যেমন: লবণ) পোলার দ্রাবকে (যেমন: পানি) সহজে গলে।

২. তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বাড়লে সাধারণত কঠিন দ্রবের দ্রাব্যতা বাড়ে (যেমন: গরম পানিতে চিনি দ্রুত গলে), তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বাড়লে দ্রাব্যতা কমে。

৩. চাপ: কঠিন বা তরল দ্রবের ওপর চাপের প্রভাব না থাকলেও, তরল দ্রাবকে গ্যাসের দ্রাব্যতার ওপর চাপের প্রভাব অনেক বেশি (যেমন: কোমল পানীয় বা সোডা ওয়াটারের বোতল খুললে চাপ কমে যায় এবং গ্যাস বের হয়ে আসে)।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট