সহকারী শিক্ষক
২৬ জুন, ২০২৬ ১২:২৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ জীব বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ৩
এই পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা—
আমাদের শরীর প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পুরোনো কোষের পরিবর্তে নতুন কোষ তৈরি হচ্ছে। এই নতুন কোষ তৈরির জন্য যে কোষ বিভাজন ঘটে তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
যে কোষ বিভাজনের মাধ্যমে একটি মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে সমসংখ্যক ক্রোমোজোমবিশিষ্ট দুটি অভিন্ন অপত্য কোষ সৃষ্টি করে, তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে।
সূত্র:
১টি মাতৃকোষ → ২টি অপত্য কোষ
মাইটোসিস প্রধানত ৫টি ধাপে সম্পন্ন হয়।
এটি প্রস্তুতিমূলক ধাপ।
এ সময়—
মনে রাখবে: ইন্টারফেজে কোষ বিভাজন হয় না, বরং বিভাজনের প্রস্তুতি চলে।
এ সময়—
এ সময়—
এ সময়—
এ সময়—
টেলোফেজের পরে সাইটোপ্লাজম বিভক্ত হয়ে দুটি নতুন অপত্য কোষ তৈরি হয়।
উদ্ভিদে: সেল প্লেট সৃষ্টি হয়।
প্রাণীতে: ক্লিভেজ ফারো সৃষ্টি হয়।
✅ একটি কোষ থেকে দুটি কোষ সৃষ্টি হয়।
✅ ক্রোমোজোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।
✅ অপত্য কোষ দুটি জিনগতভাবে অভিন্ন হয়।
✅ দেহকোষে সংঘটিত হয়।
১. দেহের বৃদ্ধি ঘটায়।
২. ক্ষতস্থান পূরণ করে।
৩. মৃত কোষের পরিবর্তে নতুন কোষ তৈরি করে।
৪. অযৌন প্রজননে সাহায্য করে।
৫. ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থির রাখে।
৬. জিনগত বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত রাখে।
ইন্টারফেজ → প্রোফেজ → মেটাফেজ → অ্যানাফেজ → টেলোফেজ → সাইটোকাইনেসিস
মনে রাখার ছড়া:
"ইন্টারে প্রস্তুতি, প্রোতে প্রকাশ,
মেটায় মাঝখানে সবার বাস।
অ্যানায় আলাদা, টেলোতে শেষ,
সাইটোপ্লাজম ভাগ হয়ে নতুন পরিবেশ।"
১। মাইটোসিস কোথায় ঘটে?
ক) জননকোষ
খ) দেহকোষ ✅
গ) শুক্রাণু
ঘ) ডিম্বাণু
২। DNA দ্বিগুণ হয় কোন পর্যায়ে?
ক) প্রোফেজ
খ) ইন্টারফেজ ✅
গ) মেটাফেজ
ঘ) টেলোফেজ
৩। ক্রোমোজোম বিষুবরেখায় অবস্থান করে কোন ধাপে?
ক) প্রোফেজ
খ) মেটাফেজ ✅
গ) অ্যানাফেজ
ঘ) টেলোফেজ
৪। সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় কোন ধাপে?
ক) প্রোফেজ
খ) মেটাফেজ
গ) অ্যানাফেজ ✅
ঘ) টেলোফেজ
৫। মাইটোসিস শেষে কতটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়?
ক) ১টি
খ) ২টি ✅
গ) ৪টি
ঘ) ৮টি
১. মাইটোসিস কী?
২. প্রোফেজে কী কী পরিবর্তন ঘটে?
৩. মেটাফেজের বৈশিষ্ট্য লিখ।
৪. অ্যানাফেজে কী ঘটে?
৫. মাইটোসিসের গুরুত্ব লিখ।
মাইটোসিস হলো এমন একটি কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি মাতৃকোষ থেকে সমসংখ্যক ক্রোমোজোমবিশিষ্ট দুটি অভিন্ন অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়া জীবদেহের বৃদ্ধি, ক্ষত নিরাময়, টিস্যু মেরামত এবং অযৌন প্রজননে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি জীবদেহে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে জিনগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।