সহকারী শিক্ষক
০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১০:২১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ ষষ্ঠ
বিষয়ঃ চারুপাঠ
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-৯ (গদ্য)
কোটা সংস্কার আন্দোলন দিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে কার্টুন, ব্যঙ্গচিত্র ও দেওয়াল লিখন বা পোস্টার এক নতুন প্রতিরোধের ভাষা তৈরি করেছিল। বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে তরুণ প্রজন্ম ও শিল্পীরা তুলির আঁচড় ও স্লোগানে ফ্যাসিবাদী শাসনকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। এই দৃশ্যমান শিল্পকর্মগুলো কেবল ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল না, বরং তা হয়ে উঠেছিল মুক্তির এক বিকল্প দলিল।প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে কার্টুন ও ব্যঙ্গচিত্রতীব্র ব্যঙ্গ ও ক্ষমতা হ্রাস: স্বৈরাচারী শাসন ও ভয়ের সংস্কৃতিকে উপহাস করে আঁকা কার্টুনগুলো ক্ষমতার অহংকার গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ: বহু নতুন ও তরুণ কার্টুনিস্ট তাদের প্রথম রাজনৈতিক আঁকাঝুঁকির মাধ্যমে এই আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। রক্ত ও প্রতিবাদের রঙ: অনেক শিল্পীর আঁকায় লাল ও কালোর প্রাধান্য ছিল, যা রাষ্ট্রীয় সহিংসতার গভীর ক্ষত ও তীব্র প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলে।পোস্টার ও দেওয়াল লিখনের ভাষাস্লোগানের রূপান্তর: ‘রাষ্ট্রযন্ত্রণা’ বা মাঠের প্রতিবাদী স্লোগানগুলো পোস্টারের মাধ্যমে চষে বেড়ায় শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে।ইতিহাসের পুনর্পাঠ: পোস্টারগুলোতে ব্যবহার করা হয়—“সংবিধানের চেয়ে বড় কোনো অভ্যুত্থান নেই” কিংবা “শহীদের রক্তে বেঈমানি চলবে না”-এর মতো তীক্ষ্ণ বাক্য।ডিজিটাল ও দেওয়াল বন্দি স্মৃতি: ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং দেওয়ালের গ্রাফিতিগুলো আন্দোলনের অমোচনীয় সাংস্কৃতিক দলিল হিসেবে টিকে আছে।শিল্প ও স্মৃতির লড়াইগণমানুষের শিল্প: এই শিল্পকর্মগুলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ছিল না; বরং তা ছিল রাজপথের সাধারণ মানুষের সামগ্রিক কণ্ঠস্বর।গণঅভ্যুত্থানের দলিল: ২০২৪ সাল রাজনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি রাজনৈতিক কার্টুন ও পোস্টার শিল্পের পুনর্জাগরণের বছর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।