রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জন্মভূমি' কবিতাটি মূলত গভীর দেশপ্রেম ও মাতৃভূমির প্রতি অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রচিত. এই কবিতা সম্পর্কে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো: [1]
শিক্ষাক্রমের অংশ: কবিতাটি বাংলাদেশের মাধ্যমিক স্তরের (বিশেষ করে ষষ্ঠ শ্রেণির) বাংলা পাঠ্যবই 'চারুপাঠ' এর অন্তর্ভুক্ত. [1, 2]
জীবনের সার্থকতা: কবি মনে করেন, এই দেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে এবং জন্মভূমিকে ভালোবাসতে পেরেই তাঁর মানবজীবন সার্থক হয়েছে ("সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে"). [1, 2]
প্রকৃতির সাথে একাত্মতা: জন্মভূমির ধন-রত্ন রানীর মতো আছে কি না তা কবির কাছে মুখ্য নয়. এ দেশের গাছের ছায়া, বনের ফুলের গন্ধ আর চাঁদের স্নিগ্ধ আলোতেই কবির মন আকুল ও শান্ত হয়. [1, 2]
সর্বশেষ ইচ্ছা: এই দেশের আলোতেই প্রথম চোখ মেলে কবির দৃষ্টি জুড়িয়েছিল. তাই কবির শেষ ইচ্ছাও হলো—এই জন্মভূমির আলোতেই যেন তিনি চিরতরে চোখ বুজতে (মৃত্যুবরণ করতে) পারেন. [1, 2]