Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:২৫ অপরাহ্ণ

কৃষি তথ্য ও সেবা প্রাপ্তির উৎস"
১. প্রাতিষ্ঠানিক বা সরকারি উৎস (Institutional Sources)
  • উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAOs): এরা ইউনিয়ন পর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের মাঠ পরিদর্শন করে ফসলের রোগবালাই ও চাষাবাদ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দিয়ে থাকেন।
  • কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS): বাংলাদেশ সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটি রেডিও, টেলিভিশন (যেমন- মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠান), কৃষি ডায়েরি, লিফলেট এবং প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে আধুনিক কৃষি তথ্য পৌঁছে দেয়।
  • কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ: BRRI (বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট) এবং BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত নতুন প্রযুক্তির প্রদর্শনী ও মেলার মাধ্যমে কৃষকদের তথ্য প্রদান করে।
২. অপ্রতিষ্ঠানিক বা স্থানীয় উৎস (Non-Institutional Sources)
  • অভিজ্ঞ কৃষক (Local Experts): গ্রামের যেসব প্রবীণ বা সফল কৃষক দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন, তারা স্থানীয় অন্য কৃষকদের জন্য তথ্য ও অভিজ্ঞতার প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করেন।
  • কৃষি উপকরণ বিক্রেতা: স্থানীয় বাজারের সার, বীজ ও কীটনাশক বিক্রেতারাও কৃষকদের বিভিন্ন রোগবালাইয়ের ওষুধ ও ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য দিয়ে থাকেন।
৩. ডিজিটাল ও আধুনিক উৎস (ICT in Agriculture)
  • কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩): এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সেবা। যেকোনো মোবাইল থেকে ১৬১২৩ নম্বরে কল করে কৃষকেরা সরাসরি কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিনামূল্যে পরামর্শ পেয়ে থাকেন।
  • কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র (AICC): এটি মাঠপর্যায়ে কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত একটি ক্লাব, যেখানে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে কৃষকেরা নিজেরা আধুনিক তথ্য সংগ্রহ করেন।
  • মোবাইল অ্যাপস ও ওয়েবসাইট: বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ ও সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্য, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং ফসলের রোগ নির্ণয়ের ডিজিটাল সেবা পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট