Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০২:৫৮ অপরাহ্ণ

উন্নত জাতের হাঁস পালন পদ্ধতি
উন্নত জাতের হাঁস পালন বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি এবং বাণিজ্যিক খামারের জন্য একটি অত্যন্ত লাভজনক মাধ্যম। মুরগির তুলনায় হাঁসের রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং এরা প্রতিকূল আবহাওয়াতেও সহজে মানিয়ে নিতে পারে।
সঠিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উন্নত জাতের হাঁস পালনের মূল বিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. লাভজনক ও উন্নত জাত নির্বাচন
খামার শুরু করার আগে আপনার লক্ষ্য অনুযায়ী সঠিক জাত বেছে নিতে হবে:
  • ডিমের জন্য সেরা জাত: খাকি ক্যাম্পবেল (Khaki Campbell) এবং জিনডিং (Jinding) হাঁস। খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস বছরে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে。
  • মাংসের জন্য সেরা জাত: বেইজিং বা পেকিন (Pekin Duck) এবং পিকিং স্টার ১৩। এরা খুব দ্রুত বাড়ে এবং মাত্র ৪৫ থেকে ৫০ দিনে প্রায় ৩ থেকে ৩.৫ কেজি ওজনের হয়ে থাকে。
২. বাসস্থান ও পালন পদ্ধতি
হাঁস প্রধানত দুটি পদ্ধতিতে পালন করা যায়:

  • উন্মুক্ত বা প্লাবন পদ্ধতি (Haor/Open Water System): আমাদের দেশের হাওরাঞ্চল বা বিল এলাকায় এই পদ্ধতি খুব জনপ্রিয়। দিনের বেলা হাঁস উন্মুক্ত জলাশয়ে চরে বেড়ায় এবং রাতে ঘরে ফেরে। এতে খাবারের খরচ অনেক বেঁচে যায়।
  • আবদ্ধ বা নিবিড় পদ্ধতি (Intensive System): যেখানে বড় জলাশয় নেই, সেখানে ঘরের পাশে ছোট কৃত্রিম জলাধার বা ড্রেন তৈরি করে সম্পূর্ণ আবদ্ধ অবস্থায় সুষম খাবার দিয়ে হাঁস পালন করা হয়।
  • হাঁসের ঘর: ঘরটি শুকনো, উঁচু ও বাতাস চলাচলের সুবিধাযুক্ত হতে হবে। মেঝেতে ধানের তুষ বা কাঠের গুঁড়ো বিছিয়ে লিটার তৈরি করতে হবে। প্রতিটি পূর্ণবয়স্ক হাঁসের জন্য ঘরে ৩ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট