Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ

সুন্দরবনের গরান গাছ
  • আবাসস্থল ও গঠন: সুন্দরবনের যেসব অঞ্চলে লবণাক্ততার পরিমাণ অনেক বেশি, সেখানে গরান গাছ প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। কাদা মাটিতে শক্তভাবে টিকে থাকার জন্য এই গাছের গোড়ায় চমৎকার ঠেসমূল এবং বাতাস থেকে অক্সিজেন নেওয়ার জন্য ছোট ছোট শ্বাসমূল থাকে।
  • মধু উৎপাদন: সুন্দরবনের বিখ্যাত ও সুস্বাদু "পদ্মমধু" বা খলিশা মধুর পাশাপাশি গরান ফুলের মধুও অত্যন্ত জনপ্রিয়। মৌয়ালরা প্রতি বছর বসন্তকালে গরান বন থেকে প্রচুর পরিমাণে খাটি মধু সংগ্রহ করেন।
  • ট্যানিন ও রঙের উৎস: গরান গাছের ছাল বা বাকলে প্রচুর পরিমাণে ট্যানিন থাকে। এই ছাল থেকে লালচে রঙের একধরণের রং তৈরি করা হয়, যা মাছ ধরার জাল দীর্ঘস্থায়ী করতে এবং চামড়া ট্যান (পাকা) করার কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
  • জ্বালানি ও খুঁটি: গরানের কাঠ শক্ত এবং খুব ভালো ও দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলে। তাই উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে এটি চমৎকার জ্বালানি কাঠ হিসেবে পরিচিত। এছাড়া ঘরের বেড়া ও খুঁটি তৈরিতেও এর ডালপালা ব্যবহৃত হয়।
গরান গাছ নিয়ে আপনার কি আরও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রয়োজন? যেমন:
  • সুন্দরবনের মধু সংগ্রহের মরসুম ও মৌয়ালদের জীবনযাত্রা
  • গরান গাছের পরিবেশগত গুরুত্ব (ঝড়-জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধে ভূমিকা)
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট