সহকারী শিক্ষক
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৬:৫৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ সপ্তম
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-৪
প্রাণীর শ্বসন হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে প্রাণী অক্সিজেন গ্রহণ করে খাদ্য থেকে শক্তি উৎপন্ন করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে। এই শক্তি প্রাণীর চলাফেরা, খাদ্য গ্রহণ, বৃদ্ধি ও দেহের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।
১. মানুষের শ্বসন: মানুষ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন করে। নাক দিয়ে বায়ু প্রবেশ করে শ্বাসনালি হয়ে ফুসফুসে পৌঁছায়।
২. মাছের শ্বসন: মাছ ফুলকার সাহায্যে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে।
৩. কেঁচোর শ্বসন: কেঁচো স্যাঁতসেঁতে ত্বকের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ করে। তাই তার ত্বক আর্দ্র থাকা প্রয়োজন।
৪. কীটপতঙ্গের শ্বসন: ঘাসফড়িং ও তেলাপোকার মতো কীটপতঙ্গ দেহের ছোট ছোট ছিদ্র, যাদের শ্বাসরন্ধ্র বলে, সেগুলোর মাধ্যমে বায়ু গ্রহণ করে। শ্বাসনালির মাধ্যমে অক্সিজেন দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছায়।
৫. ব্যাঙের শ্বসন: পূর্ণবয়স্ক ব্যাঙ ফুসফুস ও স্যাঁতসেঁতে ত্বকের সাহায্যে শ্বসন করে। ব্যাঙাচি সাধারণত ফুলকার সাহায্যে শ্বসন করে।
ক. সবাত শ্বসন: অক্সিজেনের উপস্থিতিতে খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে সবাত শ্বসন বলে।
খ. অবাত শ্বসন: অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অবাত শ্বসন বলে।
শ্বসন প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জৈবিক প্রক্রিয়া। বিভিন্ন প্রাণী তাদের দেহের গঠন ও পরিবেশ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন অঙ্গের সাহায্যে শ্বসন করে। শ্বসন বন্ধ হয়ে গেলে প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়।