Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:৪২ অপরাহ্ণ

শিক্ষা জীবনে ইন্টারনেটের প্রভাব
শিক্ষা জীবনে ইন্টারনেটের প্রভাব ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত ব্যাপক। 
ইতিবাচক প্রভাব
সহজে তথ্য ও জ্ঞান লাভ: শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে না গিয়েই ইন্টারনেটের সাহায্যে যেকোনো বিষয়ে দ্রুত তথ্য ও গবেষণা করতে পারে। 
অনলাইন শিক্ষা ও দূরশিক্ষণ: Coursera বা edX-এর মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় যেমন হার্ভার্ড বা এমআইটির কোর্স করা যায়। 
ই-বুক ও পাঠ্যপুস্তক: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (NCTB) ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সহজে পাঠ্যবই ও ই-বুক ডাউনলোড করা যায়।
ভার্চুয়াল ক্লাস ও পরীক্ষা: শিক্ষক বাতায়ন-এর মতো প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন অনলাইন ক্লাসরুম ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘরে বসে সরাসরি পাঠ গ্রহণ ও পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব। 
দলগত কাজ ও সহযোগিতা: দূরত্ব বজায় রেখেই শিক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে মিলে প্রজেক্ট বা পড়া নিয়ে আলোচনা ও সহযোগিতা করতে পারে।
নেতিবাচক প্রভাব

মনোযোগ বিঘ্নিত হওয়া: সোশ্যাল মিডিয়া, গেমস ও অপ্রয়োজনীয় সাইটের কারণে পড়াশোনার সময় নষ্ট হয় এবং মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে।
ভুল তথ্যের ঝুঁকি: ইন্টারনেট থেকে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য বাছাই করা কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ সব সূত্র নির্ভরযোগ্য নয়।
আসক্তি ও স্বাস্থ্যগত সমস্যা: অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারে স্ক্রিন টাইম বেড়ে যায়, যা চোখের ক্ষতি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে অলসতা তৈরি করতে পারে।
সামাজিক দক্ষতার অভাব: ভার্চুয়াল যোগাযোগের ওপর বেশি নির্ভর করায় সরাসরি মুখোমুখি যোগাযোগ ও সামাজিক দক্ষতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। 
মন্তব্য করুন