ই গভর্ন্যান্সঃ শাসন ব্যবস্থায় ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই গভর্ন্যান্স।
এর সুবিধাসমূহঃ
ক) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব।
খ) নাগরিকের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে। দেশে সুশাসনের পথ নিষ্কন্টক হয়।
গ) স্বল্প সময়ে সেবা পাওয়া যায়।(২-৩ দিন)
ঘ) কম খরচে সেবা পাওয়া যায়(৮০-৯০ শতাংশ )
ঙ) ঝামেলাহীন ভাবে সেবা পাওয়া যায়।(৪০ শতাংশ দাপ্তরিক কাজে সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চ) পরিসেবাসমূহের বিল পরিশোধ করা যায়।
২৪ × ৭ × ৩৬৫ দিনে নাগরিকরা সুবিধামত সময়ে সেবা গ্রহণ করতে পারে।
মাধ্যমঃ ক) মোবাইল ফোন খ) ইন্টারনেট
ই সার্ভিসঃ ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের ব্যাপারটিই সার্ভিস। বা ই সেবা।
ই সেবার প্রধান বৈশিষ্ঠ্যঃ ১। এটি স্বল্প খরচ ২। স্বল্প সময় ৩।হয়রানিমুক্ত