প্রেজেন্টেশন

পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী- ম্রোদের বিষয়ে অনলাইনে পাঠদানের জন্য কন্টেন্ট

মো : নূরুদ্দিন ২৩ আগস্ট,২০২০ ১২৮ বার দেখা হয়েছে ২১ লাইক ৩২ কমেন্ট ৪.৪৮ রেটিং ( ২৯ )

শিক্ষকগণের জন্য অতিরিক্ত তথ্য

ম্রো


ম্রো  একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী। পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে। জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস। ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ম্রোদের মোট সংখ্যা ২২২,১৬৭।

ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত। ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে। ম্রোরা তিববতী-বর্মী গ্রুপের একটি বিশেষ ভাষায় কথা বলে। বতর্মানে এদের নিজস্ব ভাষায় ও বর্ণমালায় তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে।

ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন। ম্রো ভাষায় ‘মারু’ শব্দের অর্থ মানুষ। ম্রো সমাজে কয়েকটি পরিবার মিলে এক একটি গোত্র গঠিত হয়। বর্তমান সময় পর্যন্ত ম্রোদের অনেকগুলি গোত্রের নাম জানা যায়: ঙারুয়া, নাইচাহ, তাম-তু-চাহ, ইয়ম্রে, ঙারিংচাহ্ল তাং, কানবক, প্রেনজু, দেং এবং খউ। একই দল বা গোত্রভুক্ত ছেলেমেয়ের বিয়ে নিষিদ্ধ। ম্রোদের বংশ পরিচয় পিতৃতান্ত্রিক। জীবনযাত্রার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শুষ্ক মৌসুমে সাধারণত ম্রোরা বিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ম্রোদের বাসগৃহ

ম্রো ভাষায় কান ফোঁড়ানোকে বলে ‘রইক্ষারাম’। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকলকে কান ফোঁড়াতে হয়। এটি করা হয় একটি অনুষ্ঠান এবং ভোজের মাধ্যমে। জুমচাষ শেষে ফসল তোলার পর অবস্থাপন্ন ম্রো পরিবার ছিয়াছত-প্লাই উৎসবের আয়োজন করে থাকে। ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণত এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ম্রো যুবক-যুবতীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্লুং বাঁশির তালে তালে গরুকে ঘিরে নৃত্য পরিবেশন করে। এই অনুষ্ঠানে কোনো পুরোহিত থাকে না। বছরে দুবার ম্রোরা পূজা করে। পূজাকে ম্রো ভাষায় খাং বলে। জুমের নতুন ফসলে পাড়ায় পাড়ায় পিঠা তৈরি করা হয়। পাড়ায় তিন দিন ধরে এই উৎসব চলে। বছরে দুবার- ফাল্গুন ও আষাঢ় মাসে সারা পাড়ায় তিনদিনব্যাপী কেরাই/কাংনাত পূজা করা হয়। মহামারী আকারে কোনো রোগের প্রাদুভাব হলে তারা বসুমতি পূজা করে।

ম্রো পুরুষরা নেঙটি পরে। একখন্ড কাপড় দুই উরুর মাঝখান দিয়ে কোমরে জড়িয়ে রাখে। মেয়েদের পোশাকের নাম ওয়াঙলাই। মাঝখানে এমব্রয়ডারি করা ওয়াঙলাই-এর উপর থেকে নিচ পর্যন্ত প্রস্থ হচ্ছে মাত্র ৬ ইঞ্চি।  তারা মাথার পেছনে বামপাশে চুল বাঁধে। পুরুষরা বাজারে যাওয়ার সময় লুঙ্গি ও জামা পরে এবং মেয়েরা শরীরের উপরের অংশে একখন্ড কাপড় পরে নেয়। পুরুষরা লম্বা চুল রাখে এবং কপালের উপর পেঁচিয়ে রাখে।তারা মাথায় পাগড়ি পড়ে। ম্রোরা তাদের শরীর বিভিন্ন রং দিয়ে সাজাতে পছন্দ করে। ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই তাদের ঠোঁটে রং লাগায়।

ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ম্রো নারী

নৃত্যের সময় তারা তাদের গাল, ঠোঁট এবং কপাল লাল রঙে রঞ্জিত করতে পছন্দ করে। মেয়েরা মাথায় ও কানে ফুল পরে এবং গলায় পুঁতির মালা পরতে ভালবাসে যেটিকে ম্রো ভাষায় বলা হয় কেংঙঅর। মেয়েদের কানে রূপার বিশেষ অংলংকার (রামচেং) এবং বাহুতে ধাতুনির্মিত বালা পরে। মেয়ে-পুরুষ উভয়ই কানে রিং ব্যবহার করে। বাঁশের পাইপ দিয়ে তারা যে বাদ্যযন্ত্র তৈরি করে তার নাম প্লং। নাচের সময় পুরুষরা লাল কাপড় এবং মাথায় পালক ও পুঁতিসজ্জিত পাগড়ি পরে আর মেয়েরা ফুল, পুঁতি আর মুদ্রা দিয়ে নিজেদের সাজায়।

ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান। তবে মেয়েরা সামাজিক জীবনে কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় পুত্র। সম্পত্তির সিংহভাগ পায় কনিষ্ঠ পুত্র। বৃদ্ধ বয়সে পিতা-মাতা কনিষ্ঠ পুত্রের সঙ্গে বসবাস করে। একক ও যৌথ উভয় ধরনের পরিবারই ম্রো-দের মধ্যে বিরাজমান। ম্রোরা কয়েকটি গোত্রে বিভক্ত, যেমন ভেঙ্গুয়া (কলাগাছ), প্রেমসেং (মোরগফুল গাছ), কংলাই (বুনো কলাগাছ), মেইজার (কাঁঠাল গাছ), গনারু গ্নর (আমগাছ)। এ থেকে ধারণা করা যায়, ম্রো সমাজে এখানও টোটেমীয় বৃক্ষপূজা প্রচলিত। ম্রো সমাজে দুধরনের বিবাহ দেখা যায়, যেমন ছেলে ও মেয়ে পালিয়ে বিবাহ এবং আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিবাহ। যদি কোন কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে সেক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে যা যা জিনিসপত্র দিয়েছিল সব ফেরত পায়, আর স্ত্রী তার গহনাপাতি পিত্রালয়ে নিয়ে আসে। মেয়েদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিয়ে দেখা যায় না, তবে প্রথম স্ত্রী মারা গেলে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারে। বহুবিবাহ বা বহু স্বামী গ্রহণ সমাজে অপ্রচলিত। বাল্যবিবাহও ঘটে কদাচিৎ। ম্রোরা মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলে অথবা মাটি চাপা দেয়। ম্রোদের অর্থনৈতিক জীবন মূলত জুম নির্ভর।

ম্রোদের কুমুলং(গোবধ) উৎসব

ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী। কোন কিছু শুরুর আগে ম্রোরা তুরাই-এর নামে শপথ নেয়। সাংতুং-কে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং জুমচাষে ভালো ফসল পাবার আশায় তারা এই পাহাড় দেবতার কাছে প্রার্থনা করে থাকে। গ্রামবাসীদের মঙ্গল কামনায় এবং মহামারী ও অশুভ শক্তিকে বিতাড়নের জন্য তারা দলগতভাবে ওরেং-এর পূজা করে। তারা পরজন্মে বিশ্বাসী নয়। আর তাই তাদের সকল কর্মকান্ড বর্তমানকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। ম্রোদের মতে মৃত্যু হচ্ছে জীবনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি। ম্রোদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে বৌদ্ধধর্মের প্রভাব লক্ষণীয়। ম্রোদের একাংশ খ্রিস্টান ধর্মমতে বিশ্বাসী। ম্যানলে নামে এক ম্রো প্রবর্তিত নতুন ধর্ম ‘ক্রামা’ চালুর পরে বেশ কিছুসংখ্যক লোক এই ধর্মে দীক্ষিত হয়। তবে সবধরনের শপথই নেওয়া হয় বন্দুক, দা এবং বাঘের নামে। তারা সূর্য ও চন্দ্রকে শ্রদ্ধা করে, তবে পূজা করে না। উল্লেখ্য, ম্রোদের কোন ধর্মগুরু নেই, ধর্মগ্রন্থ নেই এবং কোন মন্দিরও নেই।  [আব্দুল মাবুদ খান]

তথ্যসূত্র-বাংলাপিডিয়া

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
এইচ.এম. মতিউর রহমান
২৫ আগস্ট, ২০২০ ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ

সম্মানিত স্যার/ম্যাডাম, যারা আপনার কন্টেন্ট দেখে লাইক, রেটিং ও কমেন্ট করছেন, আপনিও তাদের কন্টেন্টগুলো প্লিজ একবার হলেও দেখুন এবং মূল্যায়নের চেষ্টা করুন। আপনার মেধা ও সৃজনশীলতার জন্য পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


মোঃ শফিকুল ইসলাম
২৪ আগস্ট, ২০২০ ০৯:১৩ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


মো. জাকিরুল ইসলাম
২৪ আগস্ট, ২০২০ ০২:১২ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার এ পক্ষের কনটেন্টটি দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


উজ্বল কুমার মজুমদার
২৪ আগস্ট, ২০২০ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


সরোজিত রায়।
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৯:২৬ অপরাহ্ণ

লাইক ও পুর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা।


মোঃ গোলাম ওয়ারেছ
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৯:১৮ অপরাহ্ণ

সুন্দর উপস্থাপনা। লাইক ও রেটিং সাথে অসংখ্য শুভকামনা। সেই সাথে আমার আগস্ট ২০২০ ইং ২য় পাক্ষিক কন্টেন্ট "ন্যানো টেকনোলোজি" দেখে সুচিন্তিত মতামত, লাইক ও রেটিং প্রদানের অনুরোধ রইন। ধন্যবাদ।


উজ্জ্বল কুমার ঘোষ
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৮:৪৬ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা । আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে লাইক, রেটিং ও আপনার সু-চিন্তিত মতামত দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


শবনম মোস্তারি
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৮:৩০ অপরাহ্ণ

বাতায়নে সাথে থাকায় আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি মানসম্মত কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করেছেন, সমৃদ্ধ হয়েছে শিক্ষকগন, আপনাকে অভিনন্দন। আপনার কস্টের সাফল্য আসবেই, দৃঢ় প্রত্যয় নিযে এগিয়ে চলুন জয় সুনিশ্চিত। লাইক কমেন্ট পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল আপনার জন্য । আমার কন্টেন্ট দেখার মতামত দেয়ার বিনীত অনুরোধ রইল।


বেনজীর আহমেদ
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৬:০৭ অপরাহ্ণ

শুভ কামনা রইল। আমার কনটেন্ট দেখে আপনার অত্যন্ত মুল্যবান মতামত ও রেটিং প্রত্যাশা করছি।


আবুল কালাম আজাদ
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৪:৪০ অপরাহ্ণ

সম্মানিত প্যাডাগজি রেটার মহোদয়গণ, সেরা কনটেন্ট নির্মাতা, উদ্ভাবক এবং প্রাণের শিক্ষক বাতায়নের শিক্ষকমন্ডলী আস্‌সালামু আলাইকুম। আপনাদের দেয়া উৎসাহ নিয়ে এ পর্যন্ত ৬৯ টি কন্টেন্ট শিক্ষক বাতায়নে আপলোড করেছি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে আপনারা পরামর্শ দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়েছেন, সে জন্য আপনাদেরকে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তাই আমার এ পাক্ষিকের কনটেন্ট ৫ম শ্রেণির গণিত বিষয়ের অধ্যায়ঃ ৯ , ( শতকরা ) কন্টেন্ট দেখে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ , পূর্ণ রেটিং , কমেন্ট , লাইক এবং মতামত প্রদানের জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।


সঞ্জয় ভৌমিক
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০১:৪৭ অপরাহ্ণ

চমৎকার উপস্থাপনা। আপনার জন্য রইল লাইক,রেটিংসহ শুভকামনা। আমার সাম্প্রতিকতম প্রেজেন্টশন " স্ত্রী প্রজননতন্ত্র ও এর হরমোনাল ক্রিয়া" https://www.teachers.gov.bd/content/details/665586 দেখে লাইক,রেটিং ও আপনার মূল্যবান মতামত প্রদানের অনুরোধ জানাচ্ছি ।


ইশরাত জাহান
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ

Excellent presentation.Full rating with best wishes.Please visit my page.


অচিন্ত্য কুমার মন্ডল
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১২:২২ অপরাহ্ণ

শুভকামনা রইলো এবং সেই সাথে পূর্ণ রেটিং । আপনার তৈরি কন্টেন্ট আমার দৃষ্টিতে সেরার তালিকা ভুক্ত। সে জন্য আপনাকে একটু সহযোগিতা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। সেই সাথে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। আমার এ সপ্তাহের কন্টেন্ট দেখার ও রেটিং সহ মতামত প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ https://www.teachers.gov.bd/content/details/663076 https://www.teachers.gov.bd/blog-details/574112


যতীন্দ্র মোহন দাশ
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১২:২১ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা। আমার কন্টেন্ট দেখার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকুন।সুস্থ থাকুন।


মীর কামরুল ইসলাম
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১২:১৭ অপরাহ্ণ

কমপক্ষে ১৬টি কণ্টেণ্টে একসাথে রেটিং, লাইক ও কমেন্টস করার "উদ্ভাবনী গল্পের" কণ্টেন্ট দেখে পূর্ণ রেটিং সহ আপনার মূল্যবান মতামত দেওয়ার অনুরোধ করছি। পূর্ণ রেটিং,লাইক ও কমেন্টস সহ আপনার জন্য শুভকামনা রইল।


মীর্জা মোঃ মাহফুজুল ইসলাম
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১২:১১ অপরাহ্ণ

Excellent,Best of luck,Fullratings,go ahead.


মোছাঃ লাকী আখতার পারভীন
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১২:০০ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


সম্পা রাণী দাশ
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ ধন্যবাদ আমার কন্টেন্ট দেখার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকুন।


মোহাম্মদ আব্দুল মালেক
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং ও লাইকসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন। আমার এ সপ্তাহের কন্টেন্ট দেখে লাইক কমেন্টস ও রেটিং দেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ । website: www.teachersnews24.com


মোঃ আব্দুল কাদির
২৩ আগস্ট, ২০২০ ১০:১১ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে মূল্যবান মতামত প্রদনের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। লিঙ্ক সংযুক্ত https://www.teachers.gov.bd/content/details/667962 https://www.teachers.gov.bd/content/details/665124 https://www.teachers.gov.bd/content/details/663663


মোঃ হাসনাইন
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা। আমার বাতায়ন পেইজে আমন্ত্রণ।


মোঃ হাসনাইন
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা। আমার বাতায়ন পেইজে আমন্ত্রণ।


মোঃ হাসনাইন
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা। আমার বাতায়ন পেইজে আমন্ত্রণ।


আব্দুল মাজিদ
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৮:২২ পূর্বাহ্ণ

সুন্দর ও শ্রেনী উপযোগী কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনাকে লাইক পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন। ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন , নিজেকে নিরাপদে রাখুন । আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে লাইক ও রেটিংসহ মূল্যবান মতামত প্রদানের অনুরোধ রইল।


মোঃ তরিকুল ইসলাম
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৮:০৫ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ অসংখ্য শুভকামনা । আমার কনটেন্টগুলো দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


সৈয়দা শাহীনুুর পারভীন
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ণ

লাইক , রেটিংসহ শুভ কামনা । আমার কনটেন্ট দেখে লাইক, কমেন্ট ও রেটিং দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


সিকদার মোঃ শাজিদুর জাহান
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৭:৫০ পূর্বাহ্ণ

সুন্দর ও শ্রেনী উপযোগী কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনাকে লাইক পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন। ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন , নিজেকে নিরাপদে রাখুন । আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে লাইক ও রেটিংসহ মূল্যবান মতামত প্রদানের অনুরোধ রইল।


সন্তোষ কুমার বর্মা
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৭:২৮ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ ধন্যবাদ আমার কন্টেন্ট দেখার জন্য অনুরোধ করছি।


Purnima Das
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৭:২৪ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা। আমার বাতায়ন পেইজে আমন্ত্রণ।


স্বদেশ দত্ত
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৭:১৯ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা। আমার বাতায়ন পেইজে আমন্ত্রণ।


মোঃ আফছার আলী প্রাং
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ

ঘরে থাকুন। পরিবারসহ সুস্থ্য থাকুন। অনেক সময়, শ্রম ও চিন্তা ভাবনা করে নির্মিত কনটেন্টটি সত্যিই অপূর্ব, শ্রেণি উপযোগি ও বাস্তব সম্মত হয়েছে। এটি শ্রেণিকক্ষে সঠিক ভাবে উপস্থান করলে শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হবে। আপনার অনিন্দ্যসুন্দর কনটেন্ট এর জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইল। আমার এ পাক্ষিকের আপলোডকৃত কনটেন্টগুলো দেখে আপনার গঠণমূলক পরামর্শ ও সুচিন্তিত মতামত প্রত্যাশা করছি।


মোঃ তরিকুল ইসলাম
২৩ আগস্ট, ২০২০ ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং ও লাইকসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।