Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০১:৩২ অপরাহ্ণ

মিশরের নীল নদ প্রাচীন কালের ইতিহাসের সাক্ষী

মরুভূমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিতধর্মীয় পুরাণে বহুল মহিমান্বিত সুললিত জলধারা নীল নদ। অতি প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি উত্তর  উত্তর-পূর্ব আফ্রিকায় জলের চাহিদা মিটিয়ে আসছে পৃথিবীর দীর্ঘতম এই নদী। সেই সাথে নীল নদই পৃথিবীকে উপহার দিয়েছে মিসরীয় সভ্যতা।

কিন্তু সাম্প্রতিককালে এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে সম্ভাব্য নতুন এক আন্তর্জাতিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। কী সেই সম্ভাব্য সংঘাতকারা জড়িতআর কেনই বা জড়িতএসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে আজকের এই লেখায়।

শুরুতেই নীল নদ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক। ইংরেজিতে Nile নামের শব্দটির উৎপত্তি গ্রীক শব্দ neilos থেকে যার অর্থ নীল নদ valley বা উপত্যকা। আরবিতে বলা হয় 'নহর-আন-নাইলবা 'বহর-আন-নাইল'

,৬৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদী মিসরসুদানদক্ষিণ সুদানইথিওপিয়াকেনিয়াউগান্ডাবুরুন্ডিরুয়ান্ডাকঙ্গো এবং তাঞ্জানিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মজার ব্যাপার হলোসুবিশাল এই নদীটির উৎপত্তিস্থল দুটি।

ইথিওপিয়ার তানা হ্রদ থেকে একটি অংশ উৎপত্তি লাভ করে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ব্লু নাইল নাম ধারণ করে সুদানে প্রবেশ করেছে। ওদিকে আরেকটি অংশ তাঞ্জানিয়ার ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপত্তি লাভ করে হোয়াইট নাইল নাম নিয়ে প্রবেশ করেছে সুদানে। সুদানের রাজধানী খার্তুমে এই ব্লু আর হোয়াইট নাইল মিলিত হয়ে একক নদী হিসেবে মিসরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট