জ্যেষ্ঠ প্রভাষক
৩০ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৭:১০ অপরাহ্ণ
জ্যেষ্ঠ প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ ইসলাম শিক্ষা ১ম পত্র
অধ্যায়ঃ প্রথম অধ্যায়
ইবনে সিনা (ফার্সি: ابن سینا; আনু. ৯৮০ – জুন ১০৩৭) ছিলেন একজন পারসিক[১৩][১৪][১৫] মুসলিম বহুবিদ্যাবিশারদ। তার পুরো নাম আবু আলি হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ ইবনুল হাসান বিন আলী ইবনে সিনা[১] (আরবি: أبو علي الحسين بن عبد الله بن الحسن بن علي بن سينا;)। তিনি আবু আলী সিনা (ابوعلی سینا), পুর সিনা (پورسینا) বা পাশ্চাত্যে আভিসেনা (লাতিন: Avicenna; /ˌævɪˈsɛnə, ˌɑːvɪ-/) নামেও পরিচিত। তাকে ইসলামি স্বর্ণযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, চিন্তক, লেখক[১৬] এবং আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক গণ্য করা হয়।[১৭][১৮][১৯] তর্কসাপেক্ষে প্রাক-আধুনিক যুগের সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক।[২০] ইবনে সিনা ছিলেন গ্রিক অ্যারিস্টটলীয় দর্শন দ্বারা প্রভাবিত একজন পেরিপেটিক দার্শনিক। ধারণা করা হয় যে তিনি ৪৫০টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে ১৫০টি দর্শনশাস্ত্র বিষয়ক এবং ৪০টি চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক রচনাসহ মোট ২৪০টি গ্রন্থ বর্তমানে টিকে রয়েছে।[২১]
তার সর্বাধিক বিখ্যাত রচনাগুলোর মধ্যে কিতাবুশ শিফা অন্যতম, যেটি একটি দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক বিশ্বকোষ। তার আরেকটি এমনই প্রসিদ্ধ গ্রন্থ কানুন ফিততিব একটি চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক বিশ্বকোষ;[২২][২৩][২৪] যা বহু মধ্যযুগীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রামাণ্য চিকিৎসা শাস্ত্রের পাঠ্যবই হিসেবে যুক্ত করা হয়েছিল।[২৫] ১৬৫০ সাল পর্যন্ত গ্রন্থটি সরাসরি পাঠ্যবহই হিসেবে ব্যবহার হতে থাকে।[২৬]
দর্শন এবং চিকিৎসাশাস্ত্র ছাড়াও ইবনে সিনার রচনা সংকলনে জ্যোতির্বিজ্ঞান, আলকেমি, ভূগোল এবং ভূতত্ত্ব, মনোবিজ্ঞান, ইসলামি ধর্মতত্ত্ব, যুক্তিবিদ্যা, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং কবিতা বিষয়ক লেখাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।[২৭]