খবর-দার

বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন 2021 এর রেজিস্ট্রেশন এর দ্বিতীয় দিবস

জাকির হোসেন ০৯ মার্চ,২০২১ ৩২ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ রেটিং ( )

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে ।এরই ধারাবাহিকতায়  চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ম্যারাথনের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়েছে  3 ই মার্চ। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দিকনির্দেশনায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহযোগিতা করা হয়। দ্বিতীয় উপজেলার আজিজিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, কাচারীপাড়া ফাজিল মাদ্রাসা, বায়তুশ শরফ লহরী দাখিল মাদ্রাসা, রাজাপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষকদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করি। শিক্ষকদের উদ্দীপনা আমাকে মুগ্ধ করেছে ।বঙ্গবন্ধুর প্রতি  তাদের আগ্রহ আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে। আল্লাহ পাক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জান্নাত বাসী করুন।

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোঃ আজহারুল ইসলাম
৩০ এপ্রিল, ২০২১ ০২:১৭ অপরাহ্ণ

Best wishes sir


মোঃ আজহারুল ইসলাম
৩০ এপ্রিল, ২০২১ ০২:১৬ অপরাহ্ণ

Best wishes sir


মোহাম্মদ আবদুল
০৭ এপ্রিল, ২০২১ ০৪:০৪ অপরাহ্ণ

কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষকদেরকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব মোসাম্মৎ জাহানারা খানম মহোদয়ের নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচানোর কি কেউ নেই? ঘুষ ছাড়া একটা কাজও তিঁনি করেন না। একটা কাজে কয়েকবারও ঘুষ দিতে হয়। EFT ফরম পূরণের জন্য প্রথমবার নিল ১৫০ টাকা ।আবার নিল ১০০ টাকা। আরো করবার দিতে হয় আল্লাহ্‌ ভাল জানেন। ঘুষ ছাড়া কোন কাজে শিক্ষা অফিসে গেলে তিঁনি কি খারাপ ব্যবহার বুঝানো সম্ভব নয়। এইভাবে শিক্ষকরা কি সারা জীবন শুধু ঘুষ দিয়েই যাবে? শিক্ষকদের পাশে কি কেউ দাঁড়াবে না?এই শিক্ষা অফিসার যতদিন আছেন ততদিন একটি কাজও ঘুষ ছাড়া হয় নাই।


মোহাম্মদ আবদুল
১৮ মার্চ, ২০২১ ০৬:১২ পূর্বাহ্ণ

কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব সাইফুল ইসলাম স্যার ই-প্রাইমারির তথ্য হালনাগাদ করতেছেন। এই তথ্য হালনাগাদ করতে গিয়ে সকল শিক্ষক থেকে ৫০ টাকা করে নিয়েছেন। যেই যেই বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ নিজেরা নিজেদের তথ্য হালনাগাদ পুর্বেই হালনাগাদ করে রেখেছেন তাদের থেকেও টাকা নিয়েছেন।টাকা দিতে নিষেধ করলে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দালালরা কয়েকজন শিক্ষকের সাথে খুব খারাপ আচরণ করেন। প্রত্যেক বিদ্যালয়র আইসিটিতে দক্ষ শিক্ষক থাকার পরও কেন শিক্ষকগণ টাকা দিতে হবে? আর যারা তথ্য পুর্বেই তথ্য হালনাগাদ করে রেখেছেন তারাও কেন টাকা দিতে হবে? শিক্ষকদেরকে নিজের কাজ নিজে করতে না দিলে শিক্ষকগণ কিভাবে আইসিটিতে দক্ষ হবে?


সন্তোষ কুমার বর্মা
১০ মার্চ, ২০২১ ০৯:৫২ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ ধন্যবাদ আমার কন্টেন্ট দেখার জন্য অনুরোধ করছি।


রাহিমা আক্তার
১০ মার্চ, ২০২১ ০১:৫৫ পূর্বাহ্ণ

Best wishes sir