Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১১ মার্চ, ২০২১ ০৮:১১ অপরাহ্ণ

মুলা

মূলা (জাপানি大根, আক্ষরিক অর্থ "বৃহৎ মূল"; ইংরেজিDaikon,Raphanus sativus var. longipinnatus, White Radishসরলীকৃত চীনা白萝卜, আক্ষরিক অর্থ "সাদা গাজর") এক প্রকার সবজি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Raphanus sativus var. longipinnatus[২][৩][৪] এটি হালকা গন্ধবিশিষ্ট, বড়, সাদা রঙের 'মূল' জাতীয় সবজি। এর আদিভূমি কন্টিনেন্টাল এশিয়া। হিন্দি ও উর্দুতে একে 'মূলি' বলা হয়। সেখান থেকে ইংরেজিতেও মূলি শব্দটি প্রচলিত হয়েছে।

পুষ্টি মূল্য[সম্পাদনা]

Daikon flowers
মুলা, কাচা অবস্থায়
প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স) পুষ্টিগত মান
শক্তি৬৬ কিজু (১৬ kcal)
3.4 g
চিনি1.86 g
খাদ্যে ফাইবার1.6 g
0.1 g
0.68 g
ভিটামিনসমূহ
থায়ামিন (বি)
(1%)
0.012 mg
রিবোফ্লাভিন (বি)
(3%)
0.039 mg
ন্যায়েসেন (বি)
(2%)
0.254 mg
(3%)
0.165 mg
ভিটামিন বি
(5%)
0.071 mg
ফোলেট (বি)
(6%)
25 μg
ভিটামিন সি
(18%)
14.8 mg
চিহ্ন ধাতুসমুহ
ক্যালসিয়াম
(3%)
25 mg
লোহা
(3%)
0.34 mg
ম্যাগনেসিয়াম
(3%)
10 mg
ম্যাঙ্গানিজ
(3%)
0.069 mg
ফসফরাস
(3%)
20 mg
পটাশিয়াম
(5%)
233 mg
দস্তা
(3%)
0.28 mg
অন্যান্য উপাদানসমূহ
Fluoride6 µg

Percentages are roughly approximated using US recommendations for adults.
Source: USDA Nutrient Database

গুনাগুণ[সম্পাদনা]

সাদা মূলা

কাচা মুলা খেলে কফ ও পিত্ত বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বাত, কাশি হিক্কা রোগের জন্য মুলা উপকারী।[৫]

  • মুলার ক্যারোটিনয়েডস চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং ওরাল, পাকস্থলী, বৃহদন্ত, কিডনী এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।
  • মুলার ফাইটোস্টেরলস হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
  • জন্ডিস আক্রান্ত হলে মুলা রক্তের বিলিরুবিনের কমিয়ে তাকে একটি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় নিয়ে আসে যা কিনা জন্ডিসের চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।
  • মূলা মানুষের ক্ষুধাকে নিবৃত্ত করে এবং নকম ক্যালরিযুক্ত সবজি হওয়ায় দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • অর্শের প্রধান কারণ হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। প্রচুর আঁশ সমৃদ্ধ সব্জী মূলা খাদ্যের পরিপাক ক্রিয়াকে গতিশীল করে হজমে সহায়তা করে, যা অর্শ রোগের আশংকাকে নির্মুল করে দেয়।
  • রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। সেই সাথে লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষন এবং বর্জ্য পরিষ্কার করে থাকে।
  • মুলা কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী।
  • শ্বেত রোগের চিকিৎসায় মূলা ফলদায়ক। এন্টি কারসেনোজিনিক উপাদান সমৃদ্ধ মুলার বীজ আদার রস এবং ভিনেগারে ভিজিয়ে আক্রান্ত জায়গায় লাগাতে হবে। অথবা কাঁচা মূলা চিবিয়ে খেলেও কাজ হবে।
  • মুলার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে কফ, মাথাব্যথা, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
  • পোকামাকড়ের কামড় থেকে সৃষ্ট ক্ষত নিরাময়ে মুলার রস কার্যকরী।
  • জ্বর এবং এর কারণে শরীর ফুলে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে অত্যন্ত উপকারী সব্জী মূলা।
  • ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা ফেস প্যাক এবং ক্লিন্সার হিসেবেও দারুন উপকারী।


মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট