ম্যাগাজিন

এ. কে. ফজলুক হক (পাকিস্তানের প্রকৃত স্থপতি) ১৮৭৩ সালে ২৬ অক্টোবর বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে

নাজমুন্নাহার শিউলি ২৪ এপ্রিল,২০২১ ২৮ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৪.৮০ রেটিং ( )

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ.কে.এম. ফজলুল হকের জন্মস্থান

. কে. ফজলুক হক (পাকিস্তানের প্রকৃত স্থপতি) ১৮৭৩ সালে ২৬ অক্টোবর বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আদি পৈতৃক নিবাস পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায়[] তিনি কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদ এবং সাইদুন্নেসা খাতুনের একমাত্র পুত্র ছিলেন।

. কে. ফজলুক হকের প্রাথমিক শিক্ষা বাড়িতেই শুরু হয়। পরে তিনি গ্রাম্য পাঠশালায় ভর্তি হয়েছিলেন। গৃহ শিক্ষকদের কাছে তিনি আরবিফার্সি এবং বাংলা ভাষা শিক্ষা লাভ করেন। ১৮৮১ সালে তিনি বরিশাল জিলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৮৮৬ সালে অষ্টম শ্রেণিতে তিনি বৃত্তি লাভ করেন এবং ১৮৮৯ সালে ফজলুল হক প্রবেশিকা পরীক্ষায় তৎকালীন ঢাকা বিভাগে মুসলমানদের মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেন। ফজলুল হক তার প্রখর স্মৃতিশক্তির কারণে শিক্ষকদের খুবই স্নেহভাজন ছিলেন। প্রবেশিকা পাশ করার পর উচ্চশিক্ষা লাভের জন্যে তিনি কলকাতায় গমন করেন। ১৮৯১ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে এফ.. পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। সে সময় প্রেসিডেন্সি কলেজে রসায়ন শাস্ত্রের অধ্যাপক ছিলেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় নিজের মেধার বলে তিনি প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এফ.. পাশ করার পর তিনি গণিতরসায়ন  পদার্থ বিদ্যায় অনার্সসহ একই কলেজে বি.. ক্লাসে ভর্তি হন। ১৮৯৩ সালে তিনি তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ প্রথম শ্রেণিতে বি.. পাশ করেন। বি.. পাশ করার পর এম.. ক্লাসে প্রথমে ভর্তি হয়েছিলেন ইংরেজি ভাষায়। পরীক্ষার মাত্র ছয় মাস আগে তাকে এক বন্ধু ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন যে, মুসলমান ছাত্ররা অঙ্ক নিয়ে পড়ে না, কারণ তারা মেধাবী নয়। এই কথা শুনে . কে. ফজলুক হকের জেদ চড়ে যায়। তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে, অঙ্কশাস্ত্রেই পরীক্ষা দেবেন। এরপর, মাত্র ছয় মাস অঙ্ক পড়েই তিনি প্রথম শ্রেণি লাভ করেন। []

খেলাধুলার প্রতি ফজলুল হক খুবই আগ্রহী ছিলেন। তিনি প্রথম জীবনে নিজে বিভিন্ন খেলাধুলার সাথে জড়িত ছিলেন এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন খেলাধুলার পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। তিনি মোহামেডান ফুটবল ক্লাবের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে এর সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি দাবাসাঁতার সহ বিভিন্ন খেলা পছন্দ করতেন।[]

পরিবার পরিজন[সম্পাদনা]

. কে. ফজলুক হকের পূর্বপুরুষ আঠারো শতকে ভারতের ভাগলপুর হতে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার বিলবিলাস গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। বংশের কাজী মুর্তজা একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন। তার পুত্র কাজী মুহম্মদ আমিন। কাজী মুহম্মদ আমিনের পুত্র মুহম্মদ আকরাম আলী বরিশাল কোর্টে আইন ব্যবসা করতেন। তার দুই পুত্র কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদ, কাজী আবদুল কাদের পাঁচ কন্যা। কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদের একমাত্র পুত্র ছিলেন . কে. ফজলুক হক। কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদ ১৮৪৩ সালে চাখারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ালেখা করেন। বাংলার মুসলমানদের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ গ্রাজুয়েট ছিলেন। ১৮৭১ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে তিনি বি. এল. পাশ করে আইন ব্যবসা শুরু করেন। মুহম্মদ ওয়াজেদ রাজাপুর থানার সাতুরিয়া মিয়া বাড়ির আহমদ আলী মিয়ার কন্যা বেগম সৈয়দুন্নেছাকে (শেরে বাংলার মা) বিয়ে করেন। মুহম্মদ ওয়াজেদ ১৯০১ সালের  ফেব্রুয়ারি বরিশালে মৃত্যুবরণ করেন।

. কে. ফজলুক হক এম.. পাশ করার পর দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করেন। সময় নবাব আবদুল লতিফ সি. আই. .-এর পৌত্রী খুরশিদ তালাত বেগমের সাথে তার বিয়ে হয়। খুরশিদ তালাত বেগম দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। খুরশিদ তালাত বেগমের অকাল মৃত্যুর পর তিনি হুগলী জেলার অধিবাসী এবং কলকাতা অবস্থানকারী ইবনে আহমদের কন্যা জিনাতুন্নেসা বেগমকে বিয়ে করেন। কিন্তু, জিনাতুন্নেসাও নিঃসন্তান অবস্থায় পরলোক গমন করেন এবং ১৯৪৩ সালে . কে. ফজলুক হক মীরাটের এক ভদ্র মহিলাকে পত্নীত্বে বরণ করেন। [] তাদের সন্তান . কে. ফাইজুল হক ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পাট প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ২০০৭ সালে মারা যান।[]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৮৯৭ সালে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে বি.এল. পাশ করে স্যার আশুতোষ মুখার্জির শিক্ষানবিশ হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করেন . কে. ফজলুক হক। দুবছর শিখানবিশ হিসেবে কাজ করার পর ১৯০০ সালে তিনি সরাসরি আইন ব্যবসা শুরু করেন। পিতার মৃত্যুর পর ১৯০১ সালে তিনি বরিশালে ফিরে আসেন এবং বরিশাল আদালতে যোগদান করেন। ১৯০৩ - ১৯০৪ সালে বরিশাল বার এসোসিয়েশনের সহকারী সম্পাদক পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। সময়ই তিনি বরিশাল রাজচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর হরেন্দ্রনাথ মুখার্জির অনুরোধে কলেজে অঙ্কশাস্ত্রের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৯০৬ সালে আইন ব্যবসা ছেড়ে ফজলুল হক সরকারি চাকরি গ্রহণ করেন। পূর্ব-বাংলার গভর্নর ব্যামফিল্ড ফুলার তাকে ডেকে সম্মানের সাথে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেন। সরকারি চাকুরিতে তিনি কিছুদিন ঢাকা  ময়মনসিংহে কাজ করেন। এরপর তাকে জামালপুর মহকুমার এস.ডি. হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে জামালপুরে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা হয়। ফজলুল হকের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সেখানে দাঙ্গা বন্ধ হয়। জামালপুর মহকুমাতে চাকরি করার সময় তিনি জমিদার মহাজনের যে নির্মম অত্যাচার নিজের চোখে দেখেন এবং এর প্রতিকার করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়, পরবর্তী জীবনে তা তার জন্য খুবই সহায়ক হয়েছিল। ১৯০৮ সালে এস.ডি.এর পদ ছেড়ে দিয়ে তিনি সমবায়ের সহকারী রেজিস্ট্রার পদ গ্রহণ করেন। এসময় তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে কৃষক শ্রমিকদের বাস্তব অবস্থা নিজের চোখে পর্যবেক্ষণ করেন। সরকারের সাথে বনাবনি না হওয়ায় অল্পদিনের মধ্যেই তিনি চাকুরি ছেড়ে দিলেন। সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়ে ১৯১১ সালে . কে. ফজলুক হক কলকাতা হাইকোর্টে যোগ দেন। কলকাতায় তাকে সেদিন নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা সভার সভাপতিত্ব করেন নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ

সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

শিল্প সাহিত্যের সাথে . কে. ফজলুক হকের সান্নিধ্য ঘটে বরিশালে কিশোর কিশোরীদের জন্য সময় তিনি নিজের সম্পাদনায়বালকনামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন। এর কিছুদিন পর তিনিভারত সুহৃদনামে যুগ্ম সম্পাদনায় আরো একটি সাপ্তাহিক প্রত্রিকা প্রকাশ করেন। এসময় কলকাতা থেকে প্রকাশিত নবযুগ নামক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম প্রখ্যাত বামপন্থি রাজনীতিবিদ কমরেড মুজাফফর আহমেদের প্রস্তাবে . কে. ফজলুক হক নবযুগের প্রকাশনাতে সাহায্য করতে সমর্থ হন। নজরুলের আগুন ঝরানো লেখার কারণেনবযুগহু হু করে বিক্রি হতে লাগলো। কলকাতা হাইকোর্টের ইংরেজ বিচারপতি টিউনন ফজলুল হক সাহেবকে নিজের খাস কামরায় ডেকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকার বিরোধী লেখার জন্য হুশিয়ার করে দেন। কিন্তু ফজলুল হক ভয় না পেয়ে টিউননের কাছ থেকে ফিরেই নজরুলকে খবর দিয়ে বলেন, “আরো গরম লিখে যাও, ইংরেজ সাহেবদের টনক নাড়িয়ে দাও[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] নজরুলের লেখা চলতে থাকলে একসময় ব্রিটিশ সরকারনবযুগপত্রিকার জামানত বাজেয়াপ্ত করে এবং কাগজটি বন্ধ করে দেয়। হক সাহেবের চেষ্টায় আবার নবযুগ চালু হলেও, তিক্ত বিরক্ত নজরুল নবযুগের কাজ ছেড়ে দেন। []

 

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোঃ মামুনুর রহমান
০১ মে, ২০২১ ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী, মুজিব শতবর্ষ এবং পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। মানসম্মত, শ্রেণি উপযোগী ও চমৎকার কনটেন্ট তৈরি করে প্রিয় শিক্ষক বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য লাইকসহ পূর্ণ রেটিং-এর শুভকামনা রইলো। এই পাক্ষিকের আমার ১৭/০৪/২১ তারিখের ৮ম শ্রেণির " তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি " বিষয়ের বাস্তব জীবন ঘনিষ্ঠ ও দৈনন্দিন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় "ইমেইল ও ইমেইল পাঠানোর প্রক্রিয়া" সম্পর্কিত কনটেন্ট এবং ১৮/০৪/২১ তারিখের ভিডিও কনটেন্টটিতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার ও পূর্ণ রেটিং প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। এছাড়াও সম্মানিত পেডাগজি রেটার ও এডমিন প্যানেল মহোদয়, সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা, সেরা উদ্ভাবক, আইসিটি জেলা অ্যাম্বাসেডরবৃন্দ ও সেরা অনলাইন পারফর্মারদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ মতামতসহ পূর্ণ রেটিং আশা করছি। আমার প্রোফাইলের ছবির উপর ক্লিক বা নিচের লিংকের উপর ক্লিক করে অথবা অন্য যেভাবে সুবিধা প্লিজ লাইক, পূর্ণ রেটিং সহ গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করুন। বাতায়ন আইডি : mamunggghsc10 , Profile Name : মোঃ মামুনুর রহমান , Content Link : https://www.teachers.gov.bd/content/details/921929 Video Content Link : https://www.teachers.gov.bd/content/details/922896 , Blog Post Link : https://www.teachers.gov.bd/blog-details/599188


মোঃ আবুল কালাম
২৫ এপ্রিল, ২০২১ ০২:০৪ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট ও ব্লগ দেখে আপনার মুল্যবান মতামত,লাইক ও রের্টিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি ।


মোঃ মনজুরুল আলম
২৫ এপ্রিল, ২০২১ ০১:৪২ পূর্বাহ্ণ

#### বাতায়নের সাথে থাকুন, নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুন #### আসসালামু আলাইকুম। আপনার শ্রম স্বার্থক হোক। কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধশালী করায় লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ ধন্যবাদ। ## আমার ছবিতে ক্লিক করেই আইডিতে চলে আসুন। আমার এ পাক্ষিকের প্রেজেন্টেশন "কর্মসৃজন ও কর্মপ্রাপ্তিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার" দেখে রেটিং প্রদানের অনুরোধ করছি।


মোঃ শহিদুল ইসলাম
২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০৯:৩৪ অপরাহ্ণ

খুবসুন্দর উপস্থাপন। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।আমার ছবিতে ক্লিক করে আমার আপলোডকৃত ১১/০৪/২০২১ তারিখের কনটেন্টটি দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


মোঃ গোলজার হোসেন
২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০৯:২১ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা ও অভিনন্দন রইলো।আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট গুলো দেখে আপনার মুল্যবান মতামত,লাইক ও পুর্ণরেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি । আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুণ আমিন সুম্ম আমিন ।


মোঃ গোলজার হোসেন
২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০৯:২১ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা ও অভিনন্দন রইলো।আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট গুলো দেখে আপনার মুল্যবান মতামত,লাইক ও পুর্ণরেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি । আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুণ আমিন সুম্ম আমিন ।


মোঃ মানিক মিয়া
২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০৫:৫৮ অপরাহ্ণ

মানসম্মত কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সম্মৃদ্ধ করার জন্য আপনাকে লাইক রেটিংসহ অশেষ ধন্যবাদ।১৮/৪/২০২১ ইং তারিখে আমার ৩৬তম প্রেজেন্টেশন, উচ্চতর গণিত" প্রিজম"ও ব্লগ স্যার আইজাক নিউটনের জীবনী আপলোড করা হয়েছে । আপনাকে পর্যবেক্ষন করার জন্য আমন্ত্রন রইল এবং সৃজনশীল কাঠামোগত সুচিন্তিত পরামর্শ একান্ত কাম্য। প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে নয়, মাস্ক পড়বেন, সর্বদা ভ্যানেটাইজার ও সাবান দিয়ে হাত ধৌত করবেন নিজেকে সুস্থ রাখবেন ,ভাল ও নিরাপদে থাকবেন,ইনশাল্লাহ। https://www.teachers.gov.bd/content/details/922788 https://www.teachers.gov.bd/content/details/927257


আজিজুল হক
২৪ এপ্রিল, ২০২১ ০৫:৫০ অপরাহ্ণ

তথ্যনির্ভর লেখার প্রতি, লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। ২৩/৪/২১ আমার পাক্ষিক ও ব্লগ দেখার অনুরোধ করছি।