প্রভাষক
০২ মে, ২০২১ ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
|
রিচার্ড মিলহৌস নিকসন ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। রিপাবলিকান পার্টির সদস্য নিক্সন এর আগে ১৯৫৩ থেকে ১৯o১ সাল পর্যন্ত ৩৭ তম সহসভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতিনিধি ও সিনেটর হিসাবে জাতীয় খ্যাতি অর্জন করেন। জন্ম: ৯ জানুয়ারী, ১৯১৩, ইওরবা লিন্ডা, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মারা গেছে: ২২ এপ্রিল, ১৯৯৪, নিউইয়র্ক-প্রিসবিটারিয়ান হাসপাতাল স্বামী / স্ত্রী: প্যাট নিকসন (মি। ১৯৪০–১৯৯৩) রাষ্ট্রপতি পদ: ২০ জানুয়ারী, ১৯৬৯ - ৯ আগস্ট, ১৯৭৪ ভাইস প্রেসিডেন্টরা: স্পিরো অগ্নিউ (১৯–৯-১৯৭৩), জেরাল্ড ফোর্ড (১৯৭৩–১৯৭৪) শিশুরা: জুলি নিকসন আইসনহওয়ার, ট্রিকিয়া নিকসন
|
|
রিচার্ড নিক্সন (ইংরেজি: Richard Nixon রিচার্ড্ নিক্সন্) (জন্ম: ৯ জানুয়ারি, ১৯১৩ – মৃত্যু: ২২ এপ্রিল, ১৯৯৪) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি রিপাবলিকান ইউএসের সিনেটর হিসেবে এবং ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রিচার্ড নিক্সন (ইংরেজি: Richard Nixon রিচার্ড্ নিক্সন্) (জন্ম: ৯ জানুয়ারি, ১৯১৩ – মৃত্যু: ২২ এপ্রিল, ১৯৯৪) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রিচার্ড নিক্সনের জন্ম ক্যালিফোর্নিয়ায়। তিনি ১৯৭৪ সালে উইথির কলেজ থেকে এবং ১৯৩৪ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ল থেকে ১৯৩৭ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
হোয়াইট হাউস ছেড়ে যাচ্ছেন নিক্সন
২৯ অগাস্ট ২০১৪
আজ থেকে ৪০ বছর আগে ওয়াটারগেট কেলেংকারির মুখে পদত্যাগ করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত নিক্সনই হলেন প্রথম এবং একমাত্র প্রেসিডেন্ট - যিনি পদত্যাগ করেছিলেন।
কিভাবে ঘটেছিল সেই ঘটনা - তার একজন প্রত্যক্ষদর্শী সা্ংবাদিক টম ডে ফ্র্যাংক। তিনি তখন ছিলেন নিউজউইক সাময়িকীর হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা।
তখন ১৯৭৪ সালের আগস্ট মাস। আমেরিকান সমাজ-রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে গভীর বিভক্তি - যার কারণ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি, সংকট চলছে অর্থনীতিতেও। কংগ্রেসের একটা বড় অংশ চলে গেছে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের বিরুদ্ধে। জনমতও তার বিপক্ষে।
সেই গ্রীষ্মকালে সবার চোখ প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের দিকে। সবাই জানতে চায় ওয়াশিংটনের ওয়াটারগেট কমপ্লেক্সে বিরোধীদল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অফিসে গোপনে অনুপ্রবেশ এবং টেলিফোনে আড়িপাতার ঘটনার ব্যাপারে তিনি কতটুকু জানতেন বা জানতেন না। তখন আড়াই বছর ধরে প্রতিনিয়ত সংবাদমাধ্যমে নানা রকমের তথ্য ফাঁস হচ্ছে। আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে এসে ব্যাপারটা একেবারে চরমে উঠে গেল।
ছবির উৎস,BBC MUNDO
ছবির ক্যাপশান,
ওয়াটারগেট কমপ্লেক্স
টম ডে ফ্রাংক বলছিলেন, আগস্টের পাঁচ তারিখ সোমবার হোয়াইট হাউস সেদিন তিনটি টেপ রেকর্ডকরা কথোপকথনের হুবহু বিবরণী প্রকাশ করলো। নিক্সন এগুলো গোপন রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সর্বসম্মতভাবে রায় দিলো যে এগুলো প্রকাশ করতে হবে। আর ওই কথোপকথনের বিবরণী সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করলো যে - এসব ঘটনায় প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কোন ভুমিকাই ছিলো না বলে তিনি যা বলেছিলেন - তা ছিল মিথ্যে।
প্রেসিডেন্ট নিক্সন বলেছিলেন যে ডেমোক্রেটিক পার্টি আফিসে আড়িপাতার ঘটনার তিনি কিছুই জানতেন না। কিন্তু সেই বিবরণী থেকে বোঝা গেলো যে প্রেসিডেন্ট নিক্সন মিথ্যে বলেছেন।
এখন তিনি যদি পদত্যাগ না করেন তাহলো মার্কিন কংগ্রেসে তাকে ইমপিচমেন্ট বা অভিশংসন করা হবে।
তিন দিন পর আগস্টের আট তারিখ দুপুর বেলা, হোয়াইট হাউসে নিক্সনের প্রেস সচিব এক সংবাদ ব্রিফিংএ বললেন, সেদিনই রাত আটটায় প্রেসিডেন্ট নিক্সন ওভাল অফিস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।
তখনই এটা স্পষ্ট হয়ে গেল যে এই ভাষণে মূলত তিনি পদত্যাগের কথাই ঘোষণা করবেন। তাই হলো। রিচার্ড নিক্সন ভাষণে বললেন, আমি কখনো দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাবার লোক নই, কিন্তু প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার আমেরিকার স্বার্থকেই সবার ওপর স্থান দিতে হবে। কাজেই আমি পদত্যাগ করতে যাচ্ছি - যা আগামিকাল দুপুর থেকে কার্যকর হবে।
টম বলছিলেন, এই ঘোষণার পরই হোয়াইট হাউসের সামনে সমবেত জনতার মধ্যে থেকে একটা বিপুল হর্ষধ্বনি শোনা গেল। আমার মনে হলো হয়তো প্রেসিডেন্ট নিক্সন নিজেও তা শুনতে পেয়েছিলেন।
নিক্সন বিদায় নেয়ার ঘোষণায় জনগণ সত্যিই খুশী হয়েছিল, স্বস্তি বোধ করেছিল।
পরদিনই রিচার্ড নিক্সন আনুষ্ঠানিকভাবে হোয়াইট হাউস ছেড়ে যান। পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হন জেরাল্ড ফোর্ড।
নিক্সন ও কিসিঞ্জার: বিস্মৃত কলঙ্ক
নতুন করে বিশৃঙ্খলার
মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই
চলাকালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দেশটির নেতৃস্থানীয় ইসলামপন্থী নেতা আবদুল কাদের
মোল্লাকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়। বাংলাদেশের
যুদ্ধাপরাধ আদালত গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন। ওই
রায়ের প্রতিবাদে লাখো মানুষ রাস্তায় অবস্থান নিয়ে তাঁর ফাঁসির দাবি জানিয়েছিলেন।
তখন থেকে বিক্ষোভ ও পাল্টা বিক্ষোভে শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।
মার্কিনদের
কাছে বিষয়টি হয়তো বিচ্ছিন্ন ও অপ্রাসঙ্গিক মনে হবে, কিন্তু বাংলাদেশের এই
অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ভাবনার অবকাশ রয়েছে। বাংলাদেশের
বর্তমান সমস্যার মূলে রয়েছে ১৯৭১ সালের সেই সংঘাতপূর্ণ জন্মের সময়টি, যখন
বাংলাদেশের একটি প্রজন্মকে হত্যা ও নির্যাতনকারীদের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট
রিচার্ড নিক্সন ও তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার জোরালো সমর্থন
জানিয়েছিলেন।
১৯৭১
সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের বিদ্রোহী বাঙালিদের ওপর
বিধ্বংসী অভিযান শুরু করে। এই রক্তপাতের মধ্য দিয়ে, সিআইএ ও মার্কিন পররাষ্ট্র
বিভাগের হিসাব অনুযায়ী আনুমানিক দুই লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল (তবে বাংলাদেশ
সরকারের হিসাবে সংখ্যাটি অনেক বেশি, ৩০ লাখ)। প্রায় এক কোটি
শরণার্থী সীমানা পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। সম্প্রতি প্রকাশিত দলিলপত্র ও হোয়াইট
হাউসে গোপন আলাপচারিতার অডিও রেকর্ড অনুযায়ী, সেই সংকটময় মুহূর্তে
পাকিস্তানের হত্যাকারী সামরিক সরকারের প্রতি নিক্সন ও কিসিঞ্জার দৃঢ় সমর্থন
দিয়েছিলেন। প্রায়ই নজর এড়িয়ে গেলেও এটি হচ্ছে স্নায়ুযুুদ্ধকালীন সামগ্রিক
পরিস্থিতির অন্ধকারতম অধ্যায়গুলোর একটি।
কোনো
দেশই, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও বিশ্বের সবখানে হত্যাযজ্ঞ
বন্ধ করতে পারে না, তবে ১৯৭১ সালে সেটি ঘটেছিল আমেরিকার একটি
ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশে (পাকিস্তান)। তারা সেই উষ্ণ সম্পর্ককে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার
করেছিল এবং মার্কিন অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক রসদ নিজ দেশের জনগণের বিরুদ্ধেই ব্যবহার
করেছিল।
নিক্সন
ও কিসিঞ্জার পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক সরকারকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি বললেই
চলে। তাঁরা ২৫ মার্চ জনগণের ওপর গুলি চালানোর অভিযান শুরুর পূর্ববর্তী
গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোতে পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তাদের নিষেধ বা সতর্ক করে দেওয়া
থেকে সচেতনভাবেই বিরত ছিলেন। নির্বাচনের ফলাফলের প্রতি সম্মান জানানোর জন্যও তাঁরা
পাকিস্তানি শাসকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করেননি, এমনকি
বাঙালি নেতৃত্বের সঙ্গে শাসনক্ষমতা ভাগাভাগি করে নেওয়ার ব্যাপারেও ওই শাসকদের
উৎসাহিত করেননি। তাঁরা (নিক্সন ও কিসিঞ্জার) এমন কোনো হুঁশিয়ারি বা শর্ত আরোপ
করেননি, যা নৃশংসতা থেকে পাকিস্তানি জান্তাকে বিরত
রাখতে পারত। এমনকি হত্যাযজ্ঞ শুরুর পরও মার্কিন সামরিক বা অর্থনৈতিক সমর্থন বন্ধ
করে দেওয়ার হুমকিও পাকিস্তানকে দেওয়া হয়নি।
নিক্সন
ও কিসিঞ্জার কেবল পক্ষপাতহীন বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে প্রভাবিত ছিলেন, এমনটা
ভাবার সুযোগ নেই। তাঁরা চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের গোপন সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহায়তা
অথবা ভারতের সোভিয়েতপন্থী নীতির মতো বিষয়গুলো ঠিকই বিবেচনায় রেখেছিলেন। হোয়াইট
হাউসের অডিও টেপে তাঁদের আবেগ ও ক্ষোভ ধরা পড়েছে, যা নিক্সনের স্বভাবসুলভ
অশিষ্টতার সঙ্গে বেমানান। ওভাল অফিসে তিনি কিসিঞ্জারকে বলেছিলেন, ভারতীয়দের
একটি ‘ব্যাপক দুর্ভিক্ষ’ প্রয়োজন। আর ‘মরণাপন্ন’ বাঙালিদের দুর্দশায় যাঁদের
‘রক্তক্ষরণ’ হয়, তাঁদের নিয়ে বিদ্রূপ করেছিলেন কিসিঞ্জার।
পূর্ব
পাকিস্তানে নিযুক্ত নির্ভীক মার্কিন কূটনীতিক আর্চার কে ব্লাডের বিস্তারিত
প্রতিবেদন পাওয়ার পরও নিক্সন ও কিসিঞ্জার বাঙালিদের দুঃখ-যন্ত্রণা উপেক্ষায় অবিচল
ছিলেন। বাঙালিদের মধ্যে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর পরিচালিত ‘গণহত্যার’
ব্যাপারে সাবেক রিপাবলিকান সিনেটর ও ভারতে দায়িত্ব পালনকারী তৎকালীন মার্কিন
রাষ্ট্রদূত কেনেথ বি কিটিং ব্যক্তিগতভাবে ওভাল অফিসে নিক্সন ও কিসিঞ্জারের নীতির
বিরোধিতা করলেও তাঁরা অনড় ছিলেন।
পূর্ব
পাকিস্তানে গণহত্যার বিরোধিতা করে ব্লাডের কার্যালয় (কনস্যুলেট) থেকে মার্কিন
নীতির প্রতি আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত প্রকাশকারী একটি অসাধারণ তারবার্তা পাঠানো হয়েছিল।
এতে নিক্সন ও কিসিঞ্জার পূর্ব পাকিস্তানের দায়িত্ব থেকে ব্লাডকে সরিয়ে দেন।
কিসিঞ্জার ব্যক্তিগতভাবে ব্লাডকে অবজ্ঞা করেছিলেন ওরকম ‘পাগলামির’ জন্য। আর
কিটিংকে ‘একজন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন নিক্সন।
পূর্ব
পাকিস্তানে বাঙালি বিদ্রোহের প্রতি ভারতের গোপন পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত ছিল। আর
সেখানে সহিংসতার অবসান হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে যুদ্ধে লিপ্ত
হওয়ার পর। তখন ভারতীয় সেনাবাহিনীর সহায়তায় একটি স্বাধীন দেশের দ্রুত আবির্ভাব
নিশ্চিত হয়। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অগ্রগতি সেখানে বরাবরই কঠিন বলে
প্রতীয়মান হয়। কিন্তু ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে
পড়ে।
বাংলাদেশ
সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও একটি সমস্যাজর্জরিত দেশ। কাদের মোল্লার
মতো আসামিদের সম্ভাব্য পরিণতি নিয়েও দেশটিতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়। ১৯৭১ সালে
সংঘটিত যুদ্ধাপরাধে পশ্চিম পাকিস্তানিদের সহযোগিতার অভিযোগে তাঁর বিচার হয়। এই
বিচার-প্রক্রিয়ার কারণে দেশটির বৃহত্তম ইসলামি রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর
সদস্যদের আটক করা হয়েছে। দলটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান রাজনৈতিক
প্রতিদ্বন্দ্বী দলের মৈত্রী রয়েছে।
বাংলাদেশিরাই
তাঁদের দেশের বিদ্বেষপূর্ণ রাজনৈতিক সংকট নিরসন করবেন। তবে কাজটি কঠিন হয়ে পড়েছে
গোড়াতেই নিক্সন ও কিসিঞ্জারের অনুভূতিহীনতার কারণে। ১৯৭১ সালের ভূমিকার কারণে
যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তিতে যে কালিমা লেগেছে, তার প্রভাব ভারতেও রয়ে গেছে।
কিসিঞ্জার দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চাইবেন, এমনটা প্রত্যাশা করা
বাহুল্য। তবে তিনি ও নিক্সন সেই ভয়ংকর দিনগুলোতে কী ভূমিকা রেখেছিলেন, তা
মার্কিনদের অন্তত স্মরণ করা উচিত।
নিউইয়র্ক
টাইমস থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে অনুবাদ: আশিস আচার্য
গ্রে
জে ব্যাস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক
বিষয়াবলি বিভাগের অধ্যাপক। তাঁর লেখা বই দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার, অ্যান্ড
আ ফরগটেন জেনোসাইড সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।