সহকারী শিক্ষক
২৬ মে, ২০২১ ০১:৩১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায় | |
|---|---|
![]() ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায় | |
| জন্ম | ২৬ নভেম্বর , ১৯৪৮ |
| মাতৃশিক্ষায়তন | কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা |
| পেশা | প্রখ্যাত সাহিত্যিক |
| পিতা-মাতা | উদয়চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পিতা) রাণীবালা চট্টোপাধ্যায় (মাতা) |
| পুরস্কার | বঙ্কিম পুরস্কার |
ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায় (২৬ নভেম্বর ১৯৪৮) পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত সাহিত্যিক। দক্ষিণ বাংলার নিম্নবর্গীয় মানুষের বয়ান, সমাজ জীবন উপজীব্য করে সাহিত্য সৃষ্টি করেছেন তাঁদের অন্যতম।
ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬শে নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার ডায়মন্ড হারবারে। পিতা উদয় চন্দ্র চট্টোপাধ্য্যায়, মাতা রানীবালা চট্টোপাধ্যায়।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ডায়মন্ড হারবার হাই স্কুল থেকে বিদ্যালয়ের পাঠ, তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অধীনস্থ ডায়মন্ড হারবার ফকির চাঁদ কলেজ থেকে কলাবিভাগে স্নাতক হন। এরপর সরকারী চাকরি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা কালেক্টরেটেই কর্মজীবন শুরু তাঁর।
ছাত্রজীবনেই লেখালেখি শুরু। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তা প্রকাশিত হতে থাকে। তেভাগা আন্দোলনের বিপ্লবী কংসারী হালদারের ঘনিষ্ট হওয়ার কারণে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বিশেষত সুন্দরবন বাদা অঞ্চল, দ্বীপ বা চরে বসবাসকারী মানুষের সাথে ঘনিষ্ট হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। নিম্নবর্গীয় মানুষদের খুব কাছে থেকে জেনেছেন, বুঝেছেন নিজের মত করে অতি স্বাভাবিক ভাবেই। মোটামুটি সত্তরে দশক হতে যে লেখাগুলি শুরু করেন, সেগুলি পুস্তক আকারে প্রকাশিত হতে থাকে। প্রথম প্রকাশিত গল্প ‘মগ্নচর’। এরপর ‘ব্যাঙ’, ‘হাড়’, ‘নোনা’-র মতো উল্লেখযোগ্য গল্প। প্রথম ছোট গল্প সংকলন যাত্রীনিবাস প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে। তাঁর গল্পের মূল প্রেক্ষাপট আবর্তিত হয় দক্ষিণ বাংলার বাদা অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই। সেখানকার নদীনালা, ফেরীঘাট, ছোট দ্বীপ বা চরভূমি, গাঙ, আবাদী, অনাবাদী জমি – এই ভৌগোলিক বৃত্তের মানুষ, তাদের প্রকৃতি ও পরিবেশ আয়ুধ হিসাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
– হিন্দি ভাষা ও ইংরাজী ছাড়াও তামিল ভাষা, মালয়ালম ভাষাতে তাঁর উপন্যাস ও গল্প অনূদিত হয়েছে।
তারাশঙ্কর স্মৃতি পুরস্কার, সোপান, কথাপুরস্কার (দিল্লী), রামমোহন লাইব্রেরী পুরস্কার, পাঞ্চজন্য, শিলালিপি, সমতট, মহাদিগন্ত সাহিত্য পুরস্কারসহ বহু পুরস্কারে তিনি সম্মানিত হয়েছেন ।