সহকারী শিক্ষক
২৮ মে, ২০২১ ০১:৩০ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
মাহবুব-উল আলম | |
|---|---|
| জন্ম | ১ মে ১৮৯৮ ফতেহপুর, চট্টগ্রাম, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ৭ আগস্ট ১৯৮১ (বয়স ৮৩) |
মাহবুব-উল আলম (১ মে ১৮৯৮ - ৭ আগস্ট ১৯৮১) একজন বাংলাদেশী লেখক, কথা সাহিত্যিক এবং ইতিহাসবিদ।
মাহবুব-উল আলম চট্টগ্রামের ফাতেহপুর গ্রামে ১ মে ১৮৯৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৌলভী নাসির উদ্দিন, মাতা আজিমুন্নেসা বেগম। তিনি তার পিতা মাতার দ্বিতীয় সন্তান। মাহবুব-উল আলম সরকারি নিবন্ধন বিভাগে চাকরি করতেন এবং ১৯৫৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
১৯১৭ সালে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪৯ তম বাঙালি পল্টনে যোগ দেন, তিনি সিগন্যাল কর্পসে দায়িত্ব পালন করেন এবং মেসোপটেমিয়া (বর্তমানে ইরাক)-এর বিভিন্ন স্টেশনগুলিতে প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন, পরে ১৯২০ সালে পল্টন ভেঙ্গে গেলে তিনি দেশে ফিরে আসেন।
তিনি বাংলা গদ্য ও কল্পকাহীনি এবং গল্প লিখতেন। তার সাহিত্য কর্মগুলি বিদ্যালয় স্তরের পাঠ্যক্রম, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতকোত্তর স্তরের বাংলা সাহিত্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তার মৃত্যুর পর, চারটি মজাদার হাস্যরসাত্মক গল্প প্রকাশ করা হয় যা হল: রঙবেরঙ (১৯৯৮), পল্টনে (১৯৯৮), প্রধান অতিথি ও তাজা শিঙ্গি মাছের ঝোল (২০০২) এবং সাত সতেরো।
এছাড়া, ইউনেস্কো প্রকল্পের অধীনে, তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্ণনা ও আবাসস্থল সংবলিত অসংখ্য বই প্রকাশ করেছিলেন।
চট্টগ্রাম কলেজে পড়াশোনা করার সময় আলম তার দূরবর্তী আত্মীয় জুলেখাকে বিয়ে করেছিলেন, যিনি সাত সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন এবং মারা যান (যার মধ্যে তিনজন শিশু কালে মারা যান)। মাহবুব-উল আলম পরে রাহেলা খাতুনকে বিয়ে করেন, যিনি ১১ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন এবং ২৬ বছর ধরে বেঁচে ছিলেন। অবসর গ্রহণে পর, তিনি সামাজিক কর্মে আগ্রহী হন এবং ১৯৫৩ সালে ‘জমানা’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা বের করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৬ সালে তা ‘দৈনিক জমানা’য় রূপান্তর ও প্রতিষ্ঠিত করেন। মাহবুব-উল আলম ১৯৮১ সালের ৭ আগস্ট চট্টগ্রামের কাজির দেউরীতে তার নিজ বাড়িতে মারা যান। তার মার্কিন লেখক-বন্ধু রবার্ট সি হ্যামক তার বই বেলো দ্য ললানো এস্তাকাদোতে তাকে নিয়ে একটি অধ্যায় লিখেন।