Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

৩০ মে, ২০২১ ০২:০৫ অপরাহ্ণ

লালসালু (উপন্যাস)

লালসালু (উপন্যাস)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লালসালু
বইয়ের প্রচ্ছদ
লালসালু উপন্যাসের প্রচ্ছদ (শোভা প্রকাশ, ২০১২)
লেখকসৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
অনুবাদক
দেশপূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)
ভাষাবাংলা
বিষয়পীর, সমাজ, ধর্ম
ধরনমনস্তাত্বিক উপন্যাস
প্রকাশককমরেড পাবলিশার্স
প্রকাশনার তারিখ
১৯৪৮
ইংরেজিতে প্রকাশিত
১৯৬৭
মিডিয়া ধরনছাপা (শক্তমলাট)
পৃষ্ঠাসংখ্যা১১০

লালসালু বাঙালি লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত অভিষেক উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে রচিত এবং প্রকাশিত উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের ধ্রুপদী সৃষ্টিকর্ম হিসেবে বিবেচিত। এর পটভূমি ১৯৪০ কিংবা ১৯৫০ দশকের বাংলাদেশের গ্রামসমাজ হলেও এর প্রভাব বা বিস্তার কালোত্তীর্ণ। মূলত গ্রামীণ সমাজের সাধারণ মানুষের সরলতাকে কেন্দ্র করে ধর্মকে ব্যবসার উপাদানরূপে ব্যবহারের একটি নগ্ন চিত্র উপন্যাসটির মূল বিষয়।

ওয়ালীউল্লাহ এই উপন্যাসের জন্যে ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান।[১] উপন্যাসটি উর্দু, ফরাসি, ইংরেজি ও ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

প্রকাশনা

লালসালু প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স থেকে। ১৯৬০ সালে কথাবিতান প্রকাশনী বের করে দ্বিতীয় সংস্করণ। পরে নওরোজ কিতাবিস্তান ১৯৬৩ সালে এর পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ১৯৮৯ সালে কলকাতর চিরায়ত প্রকাশন থেকে এটি প্রকাশিত হয়েছিল।[২] ২০০৬ সালে নওরোজ কিতাবিস্তান[৩], বিশ্বসাহিত্য ভবন,[৪] এবং ৩০১২ সালে অ্যাডর্ন পাবলিকেশন এটি প্রকাশ করেছে।

সাহিত্য-সমালোচনা

কবি আহসান হাবীব লালসালুকে বলেছিলেন তৎকালীন "বাঙালি মুসলিম রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস"।[৫]

অনুবাদ

১৯৬০ সালে পাকিস্তান লেখক সংঘ কর্তৃক করাচি থেকে Lal Shalu নামে উপন্যাসটির উর্দু অনুবাদ প্রকাশিত হয়।[১] অনুবাদ করেছিলেন কলিমুল্লাহ। একই বছর প্যারিস থেকে এর ফরাসি অনুবাদ বের হয়।[১] L Arbre sans racines শিরোনমে ফরাসি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছিল Editions du Seuil প্রকাশনী থেকে। এটি অনুবাদ করেছিলেন ওয়ালীউল্লাহর সহধর্মিণী অ্যান-মারি-থিবো।[৬] লালসালু উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ করেন অ্যান-মারি-থিবো, জেফ্রি ডিবিয়ান, কায়সার সাঈদ এবং মালিক খৈয়াম। তবে ওয়ালীউল্লাহ নিজে এতে সম্প্রসারণের কাজ করেন।[৭] ১৯৬৭ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের Chatto অ্যান্ড Windus লিমিটেড থেকে Tree Without Roots শিরোনামে প্রকাশিত হয়।[৮] পরবর্তীতে উপন্যাসটি জার্মানচেক ভাষাসহ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।[১]

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে

২০০১ সালে তানভীর মোকাম্মেলের পরিচালনায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্ররূপ লাভ করে। এতে মজিদ চরিত্রে অভিনয় করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ[৯] ২০০১ সালে চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র সহ আটটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।[১০] পাশাপাশি দর্শকদের বিচারে এটি শ্রেষ্ঠ ১০টি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান পেয়েছে।[১১]

মন্তব্য করুন