সহকারী শিক্ষক
০২ জুন, ২০২১ ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
| সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার | |
|---|---|
| ভাষা ও সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার | |
স্বাধীনতা পুরস্কারের স্বর্ণ পদক | |
| প্রদানের কারণ | বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেয়া হয়। |
| অবস্থান | ঢাকা, বাংলাদেশ |
| দেশ | |
| পুরস্কারদাতা | বাংলাদেশ |
| উপস্থাপক | বাংলাদেশ সরকার |
| প্রথম পুরস্কৃত | ১৯৭৭ |
| সর্বশেষ পুরস্কৃত | ২০১৭ |
| ওয়েবসাইট | www.cabinet.gov.bd |
সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার হলো স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের একটি অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র।[২] এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত একটি জাতীয় এবং এদেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।[১][৩] ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে সমাজসেবা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পল্লী উন্নয়ন, চিকিৎসাবিদ্যা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও ক্রীড়া - এই আটটি ক্ষেত্রে “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান প্রচলন করা হলেও পরবর্তিতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, জনপ্রশাসন এবং গবেষণা - এই আরও চারটি ক্ষেত্রকেও “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদানের অধিক্ষেত্র হিসাবে সংযুক্ত করা হয়।[২] এই পুরস্কার প্রদানের ব্যাপারটি দেখাশোনা করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।[৪] মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্ধারিত পদক কমিটির পরামর্শে মনোনীত ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করার পর এই পদক দেয়া হয়।[৫] প্রতিবছর মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় একটি আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক প্রদান প্রদান করা হয়।[৪] বর্তমানে প্রত্যেক পুরস্কার প্রাপককে পুরস্কার হিসাবে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম ওজনের স্বর্ণে নির্মিত একটি পদক, পদকটির একটি রেপ্লিকা, ৩ লক্ষ টাকার একটি চেক এবং পুরস্কার প্রাপ্তির স্বীকৃতিসূচক একটি সনদপত্র প্রদান করা হয়।[৬][৭] ১৯৭৭ সালে প্রথমবারের মতো “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রচলণকালীনই কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)'কে “সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয়।[৮]