সহকারী শিক্ষক
২১ জুন, ২০২১ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বিহার (হিন্দি: बिहार, উর্দু: بہار; উচ্চারিত [bɪˈhaːr] (
শুনুন)) পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য।[৩][৪]
এই রাজ্যের আয়তন ৯৪,১৬৩ বর্গকিলোমিটার (৩৬,৩৫৭ বর্গমাইল)। আয়তনের বিচারে
এটি দেশের দ্বাদশ বৃহত্তম রাজ্য। অন্যদিকে জনসংখ্যার বিচারে বিহার ভারতের
তৃতীয় বৃহত্তম রাজ্য। এই রাজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বাস
করেন। বিহারিদের ৫৮ শতাংশের বয়স পঁচিশের কম।[৫] এই হার ভারতের ক্ষেত্রে সর্ব অধিক।
বিহার পূর্বদিকে পশ্চিমবঙ্গের আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চল এবং পশ্চিমে উত্তরপ্রদেশের প্রায়-আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। এর ফলে বিহারের জলবায়ু, অর্থনীতি এমনকি সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য উক্ত রাজ্যদ্বয়ের মাঝামাঝি স্তরের। এই রাজ্যের উত্তরে নেপাল রাষ্ট্র এবং দক্ষিণে ঝাড়খণ্ড রাজ্য। বিহারের সমভূমি অঞ্চল এই রাজ্যের পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত গঙ্গা নদী কর্তৃক দ্বিধাবিভক্ত। বিহারের প্রজ্ঞাপিত বনাঞ্চলের পরিমাণ ৬,৭৬৪.১৪ বর্গকিলোমিটার[৬] যা এই রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তনের ৬.৮ শতাংশ। রাজ্যের সরকারি ভাষা হিন্দি ও উর্দু। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের মাতৃভাষা অঙ্গিকা, ভোজপুরি, মাগধী, মৈথিলী ও বজ্জিকার মধ্যে যে কোনো একটি বিহারি ভাষা।
বর্তমানে বিহার অবশ্য মানবীয় ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তিতে একটি পিছিয়ে পড়া ভারতীয় রাজ্য।[৭][৮][৯] অর্থনীতিবিদ ও সমাজকর্মীরা দাবি করেন এই পিছিয়ে পড়ার কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের জটিল পণ্য সমতা নীতি,[১০][১১] ও বিহারে এই নীতির বিরূপ প্রভাব[৫][১২][১৩] এবং বিহারী উপ-জাতীয়তাবাদের অভাব,[১১][১৪][১৫] এছাড়াও ১৭৯৩ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চিরস্থায়ী বন্দোবস্তও এই অবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী।[১১] যদিও বর্তমান রাজ্য সরকারের অধীনে এই রাজ্যের অনেক উন্নতি ঘটেছে।[১৬]
| বিহার बिहार بہار | |
|---|---|
| ভারতের রাজ্য | |
|
উপর থেকে ঘড়ির কাঁটার ক্রমে: পবিত্র নদী গঙ্গা, মিশরি ঘাটের কাছে, পাটনা, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়, মাতা মুণ্ডেশ্বরী মন্দির কাইমুরে, মিথিলা অঞ্চল থেকে মধুবানী শিল্প, মহাবোধি মন্দির , ব্রহ্ম কুন্ড উষ্ণ প্রস্রবণ ভিতরে রাজগির | |
ভারতে বিহারের অবস্থান | |
বিহারের মানচিত্র | |
| স্থানাঙ্ক (পাটনা): ২৫.৩৭° উত্তর ৮৫.১৩° পূর্ব | |
| দেশ | |
| অঞ্চল | পূর্ব ভারত |
| বিহার প্রদেশ | ১ এপ্রিল ১৯৩৬ |
সংক্ষেপে | |
| রাজধানী | পাটনা |
|---|---|
| বৃহত্তম শহর | পাটনা |
| জেলা | 38 |
| সরকার | |
| • রাজ্যপাল | কেশরী নাথ ত্রিপাঠী |
| • মুখ্যমন্ত্রী | নিতিশ কুমার (জনতা দল (সংযুক্ত)) |
| • উপ-মুখ্যমন্ত্রী | সুশীল কুমার মোদী (ভারতীয় জনতা পার্টি) |
| • আইনসভা | Bicameral Legislative Council 75 Legislative Assembly 243 |
| • লোকসভা কেন্দ্র | ৪০ |
| আয়তন† | |
| • মোট | ৯৪,১৬৩ বর্গকিমি (৩৬,৩৫৭ বর্গমাইল) |
| এলাকার ক্রম | 13th |
| জনসংখ্যা (2011)[১] | |
| • মোট | ১০,৩৮,০৪,৬৩৭ |
| • ক্রম | ৩য় |
| • জনঘনত্ব | ১,১০২/বর্গকিমি (২,৮৫০/বর্গমাইল) |
| সময় অঞ্চল | ভাপ্রস (ইউটিসি+05:30) |
| UN/LOCODE | INBR |
| আইএসও ৩১৬৬ কোড | IN-BR |
| যানবাহন নিবন্ধন | BR |
| মাউস | |
| মাউস ক্রম | ২১তম (২০০৭-০৮) |
| সাক্ষরতা | ৬৩.৪% (২৯তম) ৭৩.৪% (পুরুষ) ৫৩.৩% (মহিলা) |
| আনুষ্ঠানিক ভাষা | হিন্দি |
| অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিক ভাষা | উর্দু |
| ওয়েবসাইট | gov.bih.nic.in |
|
| |
| প্রতীক of Bihar[২] | |
| প্রাণী | ষাঁড় ) |
| পাখি | চড়ুই |
| ফুল | গাঁদা |
| বৃক্ষ | পীপল(पीपल) |
২০২০-২১ অর্থবছরে বিহারের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হয়েছে ৬.৪৪ লক্ষ কোটি টাকা বা ৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা কিউবা-এর সমতুল্য ।
রাজ্যের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি হচ্ছে কৃষিকাজ। শিল্পক্ষেত্রে এখনও অনগ্রসর।
বেকারত্ব হার-এ এই রাজ্য ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। ১৫-২৯ বর্ষীয়দের ৩০.৯% এবং সামগ্রিকভাবে ৯.৮% অংশগ্রহণ রয়েছে । শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার-এ এই রাজ্য ভারতের সর্বনিম্ম স্থানে রয়েছে। ১৫-২৯ বর্ষীয়দের ২৭.৬% এবং সামগ্রিকভাবে ৪০.৪% অংশগ্রহণ রয়েছে মাত্র। বিহার ভারতের অন্যতম জনশক্তি সরবরাহকারী রাজ্য। এখানের সুলভ শ্রমিক ভারতের অন্যান্য রাজ্যে কাজের খোঁজে পাড়ি জমায়।
২০১১ গণনা অনুযায়ী ভাষাভিত্তিক তথ্য[১৭]
রাজ্যের পাটনা-এ একটি ১৮৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় প্রযুক্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি সর্বাপেক্ষা প্রাচীনতম রাষ্ট্রীয় প্রযুক্তিক প্রতিষ্ঠান।
| Climate | |
|---|---|
| Classification | Cwa |
| Avg. temperature | ২৭ °সে (৮১ °ফা) |
| • Summer | ৩৪ °সে (৯৩ °ফা) |
| • Winter | ১০ °সে (৫০ °ফা) |
| Precipitation | ১,২০০ মিমি (৪৭ ইঞ্চি) |