সহকারী শিক্ষক
০৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:০৫ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
★সেক্স বিষয়ক শিক্ষাদান।
★সেক্স বা যৌনতা পৃথিবীর আদি সম্পর্ক।আদম(আঃ) ও হাওয়া(আঃ) এর সেক্সচুয়াল সামাজিক বৈধতায় আজ আমরা সৃষ্টি।বংশ পরম্পরায় নিরাপদ যৌনজীবন গড়তে বিবাহ নামক সমাজ স্বীকৃত বন্ধন। তাই সেক্স নিয়ে রাখঢাক করার কোন মানে নেই।পর্দার আড়ালে সব হয় কেবল আমরা সামনে খোলা মনে বলতে গেলে পাপ হয়,নির্লজ্জতা হয় ভেবেই ভিতরে ভিতরে সমাজ পঁচে গলে নষ্ট হচ্ছে।এই দায় আমাদের সবার কাঁধে এসে যায়।কারণ আমরা জেনেও জানাই না,বুঝেও বুঝাই না।খারাপ ভাবি এসব সেক্সুচুয়াল বিষয়াদি,গুরুত্ববহ হয়ে উঠে না কখনো।একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মাত্রই সেক্স বিষয়ক হিতাহিত জ্ঞান থাকা আবশ্যক।ক্লাস নাইনের বিজ্ঞান বইয়ে জীবনের প্রথম ক্রোমোজোম, x/y, শুক্রাণু-ডিম্বাণু,নিষেক,যৌন মিলন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।আর এই সময়টাই বয়সের তাড়নায় জেগে উঠে কামভাব।বেপোরোয়া ভাবসাব লক্ষণীয়।মা বাবা,আত্মীয় স্বজন আর শিক্ষকদের কঠোর হস্তক্ষেপ, কাউন্সিলিং একজন শিক্ষার্থীর নিজেকে ধরে রাখার নিয়ামক হয়। এখন সবারই এ সেক্স পাওয়ারের সঠিক ব্যবহার করা সময়ের দাবী।সেক্স ঠিক মতো কাজ না করলে হাজার নর নারী মা বাবার স্বাদ নিতে পারছে না।চোখের জলে ভাসছে।নিঃসন্তান দম্পতির জীবন যে কতো কষ্টের যারা ভুক্তভোগী কেবল তারাই জানেন।কতটা নিগ্রহ হতে হচ্ছে তাদের।
★একজন সেক্সি মানুষ অত্যন্ত মেধার অধিকারী হয়।জীবনটাকে উপভোগ করতে এসব লোককে অল্প বয়সে বিয়ে করিয়ে দেয়া উচিত।মেয়ে বেয়াড়া, চলাফেরায় কুভাব দেখা দিলে তাকে অবশ্যই একজন সৎ মানুষ দেখে পাত্রস্ত করা উচিত।ঝঞ্ঝাট পুষে লাভ নেই।যার যে চাহিদা,তাকে সেটা পূরণে বাঁধা দিলে সে হয়ে উঠে অমানুষ, জানোয়ার।অন্যের ক্ষতি করতে একটুও তার বুক কাঁপে না।চাহিদা এমন একটি জিনিস যা অপূরণ থাকলে কোনকিছুই ভালো লাগে না।তা হোক শারীরিক বা মানসিক।তাদের কাছে মনের বেগতিক চলা লক্ষণীয়। আমরা নারীরা যারা চাকরী করি,পুরুষের সাথেই করতে হয়।একসাথে গাড়িতে চড়তে হয়,কাজে কর্মে যেতে হয়।আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আমার কর্মজীবনে কোন পুরুষ কলিগের সাথে বা রাস্তায় কোন পুরুষের সাথে অবৈধ, অনৈতিক সুবিধা আদায়ে গভীর সম্পর্ক তৈরি করিনি আর করবোও না।আমাদের চাকরীজীবী নারীদের বা পুরুষদের এই ক্ষেত্রে মনের নিয়ন্ত্রণ আছে প্রচন্ড।মন না চাইলে হাজার পুরুষ বা নারী আশেপাশে ঘুরঘুর করলেও সেক্স কাজ করে না স্বাভাবিক।জোর করলে হয় ধর্ষণ। এখন আমরা নারী বা পুরুষ নই,মানুষ হিসেবেই কাজের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হতে চাইছি। তাই কোন পুরুষ বা নারী একবার সেক্সচুয়াল পাওয়ার নিয়ে তাকালে, আমাদের হুঙ্কার মুখ দেখে দ্বিতীয়বার আর আবেদনমাখা চাহনী দিতে সাহস পায় না।আর এটাই আমাদের অর্জন বলতে হয়।যদিও কিছু মানুষের ধারণা এমন রূপবতী-গুণবতী রাজকন্যা রাণী পুরুষ ছাড়া কি চলতে পারে?আপনাদের ধারণা নেহায়েতই মনগড়া।আমরা স্বচ্ছন্দে চলতে ফিরতে পারি।সেক্স জীবনের একটি অংশ মাত্র।পুরো জীবন কিন্তু নয় মনে রাখবেন।আমাদের কর্মজীবন বা ব্যক্তিগত জীবনে কারো কাছ থেকে একচুল পরিমাণ ছাড় পাইনি।সংগ্রাম করতে করতে এতোদূর আসা।আর বুঝে গিয়েছি কাজ ছাড়া কারো কাছে দাম নেই,মর্যাদার আসন নেই।কাজেই ডুবে থাকি,এখন সৃষ্টিশীল কর্মকেই ভালো লাগাই পরিণত করেছি।
★সেক্স নিয়ে বেশি বাহাদুরি করার জোঁ নেই।একসময় সব ভাটা পড়ে।তখন শরীরের প্রতিটি অঙ্গের অন্যায় অবিচারের আর যত্রতত্র ব্যবহারের প্রতিশোধ শুরু হয়।বড় বড় রোগ শরীরে বাসা বাঁধে।তখন জন্মের কান্না,মৃত্যুর কান্নায় পরিণত হয়।আজ তোমরা ছেলেরা যারা ধর্ষণ করছো,অবোধ তোমরা।তোমরাও একদিন বাবা হবে,তোমাদেরও মেয়ে হবে।সে ও অন্যের ধর্ষণের শিকার হবে।মনে রেখো এটাই সময়ের প্রতিশোধ আর এই থেকে কেউ রেহাই পায় না।মা বাবাদের অনুরোধ আপনাদের সন্তানরা বড় হলে তাকে জোর করে ছোট, ছেলেমানুষ বানাবেন না।সে আসলেই বড় হয়েছে,সব বুঝে এই ইন্টারনেটের যুগে ফাস্ট আপনার চেয়ে অনেক বেশি।বুঝাতে হবে,জীবন একটাই।এতে সেক্স অংশটা যেমন জরুরী তেমনি বাকী জীবনের অংশগুলো আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও সফলতা দরকার।তবেই সেক্সচুয়াল লাইফ আরামের হয়।মানুষ সঙ্গহীন বাঁচতে পারে না।তবে জীবনের অন্য পার্টগুলো অসফল হলে সেক্সপার্টটাও উপভোগ্য হবে না।জীবনের সবচেয়ে অন্তরঙ্গ বর্ণিল আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করতে নিজেকে সবদিকে যোগ্য করে গড়ো আজকের বয়োঃসন্ধি সেয়ানা ছেলে মেয়েরা।অপাত্রে তোমার মহামূল্যবান বীর্য ত্যাগ করো না।এর প্রতিটি ফোটায় একেকটা প্রজন্মের উন্নত সংস্করণ লুকিয়ে আছে তা নষ্ট করো না বাবা মা রা।ধর্মীয় অনুশাসন মানো, ভালো ভালো বই পড়ো দেখবে জীবন কতো সুন্দর কতটা অলৌকিক সংস্করণ তোমরা নিজেরাও।সবকিছুর একটা নির্দিষ্ট সময়ে আছে।যে কাজ যখন যেখানে এপোর্ট দেয়ার দরকার সেখানে কেবল ধ্যান দাও।আমি জানি একদিন তোমরাই বিশ্বজয় করবে।
পারভীন আকতার
শিক্ষক, কবি ও প্রাবন্ধিক।
চট্টগ্রাম।
Date:08.01.2021
৭০
১৪৪ মন্তব্য