Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ ডিসেম্বর, ২০২২ ০৯:৩৪ অপরাহ্ণ

ভিটামিন সি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে করোনাভাইরাসের এই মহামারির সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ভিটামিন সি এর জুড়ি মেলা ভার। পাশাপাশি এটি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের বিরুদ্ধেও লড়াই করে।


পাশাপাশি হাড় ও দাঁতের জন্যও ভিটামিন সি অনেক উপকারী। এটি ত্বকের টিস্যুর গঠনেও সরাসরি অংশ নেয়। যেকোনো ক্ষত খুব তাড়াতাড়ি সাড়িয়ে তুলতেও এই ভিটামিনের বিকল্প নেই। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবে ক্ষতিকর ফ্রি-রেডিক্যাল থেকেও রক্ষা করে এটি। ভিটামিন-সি দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।


প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি রাখলে সহজেই এর দৈনিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয় বিধায় এটি শরীরে সঞ্চিত থাকে না। এই ভিটামিন প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্রহণ করলে তা প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়।


তাই প্রতিদিনই নির্দিষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি গ্রহণ করা আবশ্যক। যেমন- শিশুদের ক্ষেত্রে ৩০-৩৫ মিলিগ্রাম, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ৪৫ মিলিগ্রাম, গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে ৫৫ মিলিগ্রাম ও প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রে ৭০ মিলিগ্রাম করে ভিটামিন সি প্রতিদিনই দৈনন্দিন খাদ্যের সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়।

তবে ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে এই ভিটামিনটি আরও বেশি খাওয়া জরুরি। কারণ ধূমপান করলে শরীরে ভিটামিন সি ক্রমাগত কমতে থাকে। ফল ও সবজি কাঁচা খেলে ভিটামিন সি যথেষ্ট পরিমাণে শরীর গ্রহণ করে থাকে। এ ছাড়াও বিভিন্ন শাকেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।


তবে বেশিক্ষণ রান্না করার ফলে যেকোনো সবজি তার পুষ্টিগুণ হারিয়ে ফেলে। অতিরিক্ত তাপ ভিটামিনের রাসায়নিক গঠন ভেঙে দেয়। এজন্য ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণে সবজি যথাসম্ভব কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া উচিত।


নিতান্ত তা সম্ভব না হলে শাকসবজি উচ্চতাপে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এজন্য ঢাকনা দেওয়া পাত্রে যথাসম্ভব অল্প পানি ব্যবহার করে দ্রুত রান্না করুন। খাবারে সর্বোচ্চ পরিমাণ ভিটামিন সি ধরে রাখতে ভাঁপে অথবা প্রেসার কুকারে রান্না করাই উত্তম।

সংগৃহীত 

মন্তব্য করুন