সহকারী শিক্ষক
১৮ জুন, ২০২৩ ০৫:০২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
✅ ঘি খাওয়ার উপকারিতা :
দৈনন্দিন খাবার তালিকায় আমরা যা কিছুই রাখি বা খাই না কেন তার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা দরকার । আজ আমরা আলোচনা করব 'ঘি' এর উপকারিতা ও অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার অপকারিতা নিয়ে ।
✅ ডাক্তারদের পরামর্শ হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষ দৈনিক ১-২ চামচ ঘি খেতে পারবে । পরিমাপ মত দৈনন্দিন ১-২ চামচ বিশুদ্ধ খাঁটি ঘি খেলে যে সকল উপকার পাবেন:
? ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে ।
? ঘি খেলে প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণ হয় ফলে শরীরের সন্ধিগুলো (হাড়ের জয়েন্ট) ঠিক থাকে ।
? ঘি আ্যন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় অন্য খাবার থেকে ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তোলে ।
? পোড়া ক্ষত সারাতে ঘিয়ের বেশ ভূমিকা আছে ।
? আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে ঘি খেলে মস্তিষ্কের ধার বাড়ে ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় ।
? ঘিয়ে পেয়াজ ভেজে খেলে গলাব্যাথা সারে ।
? ঘি ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ও ত্বক কে আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে ।
? চুল বৃদ্ধি ও সিল্কি হতে সাহায্য করে ।
? ঘি তে আছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে ।
• ভিটামিন 'এ' শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন 'এ' চোখের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। শরীরের বিকাশে ভিটামিন 'এ'র ভূমিকা আছে। বাহ্যিক আবরণের কোষ, ত্বক, দাঁত, ও অস্থির গঠনের জন্য ভিটামিন 'এ' জরুরী।
• ভিটামিন 'বি' মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতায় সহায়তা করা, ডিএনএ তৈরি ও বজায় রাখা, লোহিত রক্তকণিকা তৈরি ও বজায় রাখা এবং হজম প্রক্রিয়া ও শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে এটি ।
• শরীর সুস্থ রাখতে এবং ত্বক, চুল ও পেশির গঠনে ভূমিকা রয়েছে ভিটামিন 'ই' এর। ত্বকের স্বাস্থ্যরক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হল এই ভিটামিন 'ই' । এছাড়াও ভিটামিন 'ই' এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । যা আমাদের ত্বককে অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে ।
• মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিনগুলির সম্পূর্ণ সংশ্লেষণের জন্য ভিটামিন 'কে' প্রয়োজন হয় । হাড় এবং অন্যান্য টিস্যুতে ক্যালসিয়ামের বাঁধাই নিয়ন্ত্রণের জন্যও এই ভিটামিন কার্যকরী ।
? গ্লুকোমা রোগীর জন্য খুব উপকারী । গ্লুকোমা হলো চোখের একপ্রকার রোগ যাতে অপটিক স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও চোখ অন্ধ হয়ে যায় ।
প্রতিটি ভালো খাবারের ভালো ইফেক্টের পাশাপাশি কিছু খারাপ প্রভাবও থাকে ৷ আর এই খারাপ প্রভাব সৃষ্টি হয় ভালো খাবারটি পরিমাণের বেশি খেলে । ডাক্তারদের পরামর্শ হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষ দৈনিক ১-২ চামচ ঘি খেতে পারবে । অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার কিছু অপকারিতাও আছে । যেমন :
♦️ অতিরিক্ত ঘি খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় । ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় ।
♦️ অতিরিক্ত ঘি খেলে শরীরের চর্বি বেড়ে যায় । ফলে নানাবিধ রোগ বাসা বাঁধতে পারে ।
♦️ পরিমাপের বেশি খেলে হজমে সমস্যা বা বদ হজম হতে পারে ।
♦️ ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ঘি এড়িয়ে চলা ভালো ।
✅ ডাক্তারদের পরামর্শ হচ্ছে প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষ দৈনিক ১-২ চামচ ঘি খেতে পারবে ।
৭০
১৪৪ মন্তব্য