সিনিয়র শিক্ষক
২৭ আগস্ট, ২০২৩ ০৮:০০ পূর্বাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
নাতিশীতোষ্ণ এলাকার একটি লোভনীয় ফল নাশপাতি। নাশপাতির বৈজ্ঞানিক নাম – Pyrus communis. এর উৎসের কথা যদি বলতে হয় তবে চলে যেতে হবে চীনে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এর উৎপাদন হচ্ছে।
বিশ্বে সর্বোচ্চ উৎপাদিত ফলগুলোর মধ্যে এটি পঞ্চম যার সিংহভাগ আসে চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশগুলো থেকে।
Rosaceae পরিবারের এই ফলটির প্রায় ৩০ রকম প্রজাতি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। কিন্তু এর পুষ্টিগুণ যে কত বেশি সে সম্পর্কে অনেকেই হয়ত জানেন না।
নাশপাতির প্রকারভেদ
বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩০০০ প্রকারের নাশপাতি উৎপাদিত হয়। এদের আকার, রঙ, স্বাদ, বাহ্যিক গঠন, ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যে যথেষ্ট ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
কয়েক প্রকার নাশপাতি নিচে উল্লেখ করা হল-
সেকেল
স্টারক্রিমসন
বারলেট
রেড বারলেট
বস্ক
কোমিস
ফোরেলে
কনকর্ড, ইত্যাদি।
নাশপাতির পুষ্টিগুণ
১০০ গ্রাম নাশপাতিতে ২৩৯ কিলোজুল বা ৫৭ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া সম্ভব।
মনোমারিক যৌগ যেমন আরবুটিন, ওলিয়ানোলিক এসিড, আরসোলিক এসিড, ক্লোরোজেনিক এসিড, এপিক্যাটেচিন, রুটিন, ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত এই নাশপাতিতে।
অন্যান্য ফলের তুলনায় এর যে পুষ্টিমান সর্বাধিক নজরকাড়া তা হলো এতে ফেনোলিক এসিডের উপস্থিতি।
নাশপাতিতে মিথাইলেটেড ফেনোলিক এসিড উপস্থিত এবং ৭০% ডিমিথাইলেটেড ফেনোলিক উপস্থিত যা অন্যান্য ফলের তুলনায় ২৩ শতাংশ কম। এটি ডিমিথাইলেটেড হয়ে সিরিনজিক এবং সিনাপিক এসিডে রূপান্তরিত হয়।
[সংগৃহীত]
৩
৩ মন্তব্য