সহকারী শিক্ষক
০৭ জানুয়ারি, ২০২৪ ১২:৩০ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
মালিক সখ করে আদা খায়
↓ ↓ ↓ ↓
সম্পত্তি খরচ আয় দায়
সম্পত্তি ব্যবসাযের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা পণ্য উৎপাদন এবং সেবা প্রদানে বারবার ব্যবহার করা হয়
খরচ :প্রতিদিন ব্যবসা কার্য পরিচালনা করার জন্য যে নগদ অর্থ ব্যবসা থেকে চলে যায় তাকে খরচ বলে
আয়:পণ্য বিক্রয় এবং সেবা প্রদানের মাধ্যমে যে নগদ অর্থ ব্যবসায়ে আসে তাকে আয় বলে
দায়:যা ভবিষ্যতে প্রদেয় বা প্রদান করতে হবে তাকে দায় বলে
লেনদেন
দেওয়া নেওয়া
লেনদেন হওয়ার শর্ত সাতটি
1.আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন 2.অর্থের পরিমাপ যোগ্য 3.দ্বৈত সত্তা 4.স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বতন্ত্র 5.দৃশ্যমান 6.ঐতিহাসিক ঘটনা 7.বৈধতা
যে সকল ঘটনা কখনো লেনদেন হবে না 1.ব্যক্তিগত ঘটনা
2.ফরমায়েশ 3.নিয়োগ 4.অবৈধ .......5.চুক্তিবদ্ধ 6.প্রতিশ্রুতি
হিসাব সমীকরণ
A = L + OE
Assets Liabilities Owner’s equity
A+L+(C+R-E-D) A=assets R=Revenue C=Capital E=Expenses D=Drowings
L=Libilities
কোন ঘটনায় লেনদেন হতে হলে তার হিসাব সমীকরণের উপাদানগুলোকে নিম্নলিখিত পাঁচটি পরিবর্তনের যেকোনো একটি পরিবর্তন সাধন করে
মোট সম্পদ বাড়লেও মোট দায় অথবা মালিকানা স্বত্ব বাড়বে মোট সম্পদ কমলে মোট কমবে মালিকানা স্বত্ব বাড়লে মোট দায় কমবে মালিকানা সত্ব কমলে মোট দায় বাড়বে দায় অথবা মালিকানা স্বত্ব কমবে একটি সম্পদ বাড়লে ওপর একটি সম্পদ
একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান লাভ-ক্ষতি নির্ণয়ের সূত্র লাভ-ক্ষতি ={ সমাপনী মূলধন + উত্তোলন} -{ প্রারম্ভিক মূলধন+ অতিরিক্ত মূলধন} প্রারম্ভিক মূলধন = প্রারম্ভিক সম্পদ - প্রারম্ভিক দায় সমাপনী মূলধন = সমাপনী সম্পদ - সমাপনী দায়
Note :বছরের মাঝামাঝি সময়ে মালিক যে নগদ টাকা ব্যবসায আনয়ন করে তাকে অতিরিক্ত মূলধন বলে
ব্যবসায় চলাকালীন সময়ে মালিক যে নগদ টাকা ব্যবসা থেকে তুলে নে তাকে উত্তোলন বলে
মুনাফা জাতীয় ব্যয় : যেসকল টাকার অংকে ছোট এবং বছরে বারবার সংঘটিত হয় তাকে মুনাফা জাতীয় ব্যয় বলে মুনাফা জাতীয় আয় :যে সকল আয় টাকার অংকে ছোট এবং বছরে বারবার ব্যবসা সংঘটিত হয় তাকে মুনাফা
জাতীয় আয় বলে মূলধন জাতীয় ব্যয়: যেসকল ব্যয় বছরে একবার ঘটে এবং টাকার অংকে বেশি তাকে মূলধন জাতীয় ব্যয় বলে মূলধন জাতীয় আয়: যে সকল আয় বছরে একবার ঘটে এবং টাকার অংকে বেশি থাকে তাকে মুলধন জাতীয় আয় বলে
একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যাবতীয় আয়, ব্যয়, দায় এবং সম্পদ জাতীয় হিসেব গুলো জের টানার মাধ্যমে ডেবিট এবং ক্রেডিট অনুযায়ী সাজিয়ে হিসাবের শুদ্ধতা যাচাই করাকে রেওয়ামিল বলা হয়। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জাবেদা এবং খতিয়ানের লেনদেন গুলো সঠিক ভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কিনা তা জানার একমাত্র সেতু হচ্ছে রেওয়ামিল।
রেওয়ামিলের নিয়মের দুইটি দিক রয়েছে:
যাবতীয় সম্পদের হিসাব ডেবিট দিকে বসবে। যেমন: প্রাপ্য বিল, নগদ তহবিল, আসবাবপত্র ইত্যাদি।
সকল প্রকার খরচ ও ক্ষতি রেওয়ামিলের ডেবিট দিকে বসবে। যেমন: মজুরি, বিবিধ ক্ষতি, বেতন ইত্যাদি।
সকল প্রকার অগ্রিম খরচ রেওয়ামিলের ডেবিট দিকে বসবে। যেমন: অগ্রিম মজুরি, অগ্রিম বেতন, অগ্রিম ভাড়া ইত্যাদি।
সকল প্রকার দায় রেওয়ামিলের ক্রেডিট দিকে বসবে। যেমন: ব্যাংক জমাতিরিক্ত, বিবিধ পাওনাদার, ঋণ ইত্যাদি।
সকল প্রকার মূলধন রেওয়ামিলের ক্রেডিট দিকে বসবে। যেমন: ব্যবসার জন্য টাকা।
যাবতীয় অগ্রিম দায়, রেওয়ামিলের ক্রেডিট দিকে বসবে। যেমন: অগ্রিম সেবা আয়, অগ্রিম ভাড়া প্রাপ্তি, অগ্রিম পরামর্শ ফি ইত্যাদি।
খরচ বকেয়া = দায় ক্রেডিট (যেমন: বকেয়া মনিহারি খরচ)
খরচ অগ্রিম = সম্পদ = ডেবিট (যেমন: অগ্রিম বীমা খরচ)
আয় বকেয়া = সম্পদ = ডেবিট যেমন: বাকিতে পণ্য বিক্রয়
আয় অগ্রিম = দায় = ক্রেডিট যেমন: ভবিষ্যতে সেবা প্রদানের জন্য অগ্রিম টাকা গ্রহণ
সকল প্রকার সঞ্চিতি ক্রেডিট দিকে বসবে। শুধু পাওনাদারের বাট্টা সঞ্চিতি ডেবিট দিকে বসবে।
সকল প্রকার তহবিল ক্রেডিট দিকে বসবে। শুধু নগদ তহবিল ও ব্যাংক তহবিল ডেবিট দিকে বসবে।
যে কোন উত্তোলন লিখা থাকলেই ডেবিট দিকে বসবে।
প্রারম্ভিক নগদ
প্রারম্ভিক ব্যাংক জমা
সমাপনী মজুদ পণ্য
সমাপনী মনিহারি
সম্ভাব্য দায় ও সম্ভাব্য সম্পদ
বি:দ্র: ক্রয় এর বদলে সম্বন্বিত ক্রয় থাকলে তখন প্রারম্ভিক মজুদ না এসে রেওয়ামিলে সমাপনী মজুদ অন্তর্ভূক্ত হয়।
মনিহারির ব্যবহৃত অংশ বা সম্বন্বিত মনিহারিরে উল্লেখ থাকলে প্রারম্ভিক মনিহারি না এসে রেওয়ামিলে সমাপনী মনিহারি অন্তর্ভূক্ত হয়।
সম্বন্বিত ক্রয় ও মনিহারির ব্যবহৃত অংশ বা সম্বন্বিত মনিহারি রেওয়ামিলের ডেবিট দিকে বসবে।
অনিশ্চিত হিসাব:
যদি রেওয়মিল না মিলে এবং না মিলার কারণও যদি তাৎক্ষণিকভাবে বের করা না যায় তখন যে হিসাব খুলে রেওয়ামিল মিলানো হয় তাকে অনিশ্চিত হিসাব বলে।
মূলত: রেওয়ামিল মিলানোর জন্যই অনিশ্চিত হিসাব খোলা হয়।
অনিশ্চিত হিসাবে রেওয়ামিলের পার্থক্যের পরিমাণ বসিয়ে রেওয়ালিকে সাময়িকভাবে মিলানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ভুল নির্ণয় করে যখন সংশোধন করা হয় তখন আর অনিশ্চিত হিসাবের ব্যালেন্স থাকে না।
নগদ লেনদেনসমূহ লিপিবদ্ধ করার জন্য হিসাবের যে প্রাথমিক বই ব্যবহার করা হয় তাকে নগদান বই বলে।
সকল ধরনের নগদ প্রাপ্তি ক্যাশ ডেবিট (Cash Debit) এবং সকল ধরনের নগদ পরিশোধ (Cash Credit) করতে হবে।
সকল ধরনের চেক প্রাপ্তি ক্যাশ ডেবিট (Cash Debit) করতে হবে।
এবং সকল ধরনের নগদ প্রদত্ত ব্যাংক অবশ্যই ক্রেডিট করতে হবে।
নগদ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হলে কন্ট্রা (Contra) বিপরীতমুখী হিসাব হবে।
অফিসের প্রয়োজনে ব্যাংক হতে উত্তোলন করা হলে কন্ট্রা বিপরীতমুখী হিসাব হবে।
ব্যাংক কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত সুদ ব্যাংক হিসাবে ডেবিট করতে হবে।
ব্যাংক কর্তৃক ধার্যকৃত চার্জ ব্যাংক হিসাব ক্রেডিট করতে হবে।
প্রাপ্য বিল ব্যাংক কর্তৃক নগদ আদায় হলে ব্যাংক কক্ষে ডেবিট হবে।
প্রদেয় বিল ব্যাংক কর্তৃক পরিশোধিত হলে ব্যাংক কক্ষে ক্রেডিট করতে হবে।
যদি প্রাপ্য বিল আদায়ের জন্য ব্যাংক জমা দেওয়ার পর অসম্মানিত হয় তবে ব্যাংক ক্রেডিট করতে হবে।
২
২ মন্তব্য