Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ মে, ২০২৪ ০৬:২৯ অপরাহ্ণ

শিশুর টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধ ও চিকিৎসা


টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো কী কী?
  • টানা জ্বর। জ্বর ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে
  • মাথাব্যথা শরীর ব্যথা
  • শারীরিক দুর্বলতা
  • ক্ষুধামন্দা
  • কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
  • বমি
  • কফ বা কাশি প্রচণ্ড
  • পেটে ব্যথা পিঠে ও পেটে দানা দেখা দিতে পারে

শিশুর বয়সভেদে টাইফয়েড জ্বরের উপসর্গে ভিন্নতা দেখা যায়। এক বছরের কম বয়সী শিশুর টাইফয়েডে সামান্য পেটের অসুখ থেকে শুরু করে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। গর্ভাবস্থায় মায়ের থেকে গর্ভের শিশুর শরীরে টাইফয়েডের জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। সাধারণত এর উপসর্গ প্রকাশ পায় জন্মের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে। বমি, পেট–ফাঁপা, ডায়রিয়া, কখনোবা তীব্র জ্বর (১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠতে পারে), খিঁচুনি, যকৃতের আকার বৃদ্ধি, জন্ডিস, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি বেশি দেখা যায়।


একটু বয়স্ক শিশুর বেলায় টাইফয়েডের প্রাথমিক উপসর্গ হলো জ্বর, ক্লান্তি, গাব্যথা, মাথাব্যথা, পেটব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে জ্বরের মাত্রা বাড়ে এবং তা আর ছাড়ে না। অন্যান্য উপসর্গও তীব্র হয়। শিশু দ্রুত কাহিল হয়ে পড়ে। এ পর্যায়ে যকৃৎ ও প্লিহার স্ফীতি বোঝা যায়। বুকের নিচের অংশজুড়ে পেটে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা শুরু না করলে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন অন্ত্রে ফুটো হয়ে তীব্র রক্তপাত ও পেরিটোনাইটিস, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, পিত্তথলির প্রদাহ, টকসিক মাইয়োকার্ডাইটিস, সেপটিক আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি।

মন্তব্য করুন