সহকারী শিক্ষক
২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৯:১১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
শরীরচর্চা বলতে বোঝায় নিয়মিত, সুনিয়ন্ত্রিত ও সচেতনভাবে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ব্যায়াম, কসরত, খেলাধুলা বা অনুশীলন, যা শরীরের পেশী, স্নায়ু, হৃদপিণ্ড, ফুসফুস এবং হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে সক্রিয় রাখে। বৈজ্ঞানিক ভাষায়, শরীরচর্চা শরীরে অক্সিজেন ব্যবহারের মাত্রা বৃদ্ধি করে, রক্তসঞ্চালন উন্নত করে এবং বিপাকক্রিয়া (Metabolism) গতিশীল রাখে।
বিজ্ঞানীরা বলেন, শরীরচর্চা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোন নিঃসরণ করে, যা মানুষকে মানসিকভাবে প্রফুল্ল রাখে। একইসঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের পেশী কোষে মাইটোকন্ড্রিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করে, ফলে শক্তি উৎপাদন এবং শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ে।
শরীরের বিভিন্ন অংশের পেশী, স্নায়ু ও জৈবিক প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখতে নিয়মিত ও সুনিয়ন্ত্রিতভাবে যে শারীরিক অনুশীলনগুলো করা হয়, তাকে শরীরচর্চা বলা হয়। এর মধ্যে দৌড়ানো, হাঁটা, যোগব্যায়াম, সাঁতার, সাইক্লিং, জিমের ব্যায়াম, খেলাধুলা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
শরীরচর্চার উপকারিতা
১. শারীরিক উপকারিতা
২. মানসিক উপকারিতা
৪
৭ মন্তব্য