সহকারী শিক্ষক
২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:২৮ অপরাহ্ণ
ইসলামের সৌন্দর্য মুখের মিষ্টি ভাষা
ইসলামের সৌন্দর্য মুখের মিষ্টি ভাষা!
আমার জন্ম মুসলিম পরিবারে। সেই হিসাবে ধর্ম ইসলাম। কিন্তু ইসলাম এর বিশেষ কোন জ্ঞান আমার আছে বলে মনে হয় না। তবে একটি বিষয় মনে হয় আছে। আর তা হলো, মিষ্টি করে সবার সাথে কথা বলা। ইসলাম সুন্দর আখলাক বা চরিত্রের বিষয় তাগিদ দিয়েছে। অর্থাৎ উত্তম ব্যবহার। আর উত্তম ব্যবহার এর প্রথম শর্ত মনে হয়, মিষ্টি করে শব্দ চয়ন।যদিও ইসলামের সৌন্দর্য অনেক দিকেই বিস্তৃত, তবে মুখের মিষ্টি ভাষা ও সুন্দর আচরণ তার সবচেয়ে জীবন্ত প্রকাশগুলোর একটি।ইসলাম কখনো শুধু আনুষ্ঠানিক ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের সাথে মানুষের কথা বলার ভঙ্গি, শব্দচয়ন, কণ্ঠের কোমলতা,সবকিছুকেই ইবাদতের মর্যাদা দিয়েছে।
কুরআনে আল্লাহ বলেন,
“মানুষের সাথে সুন্দরভাবে কথা বলো।”
এখানে ‘সুন্দরভাবে’ মানে শুধু সত্য বলা নয়, বরং এমন ভাষায় বলা, যাতে অপরজন কষ্ট না পায়, বরং সম্মানিত বোধ করে।
প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) ছিলেন এর জীবন্ত উদাহরণ। তিনি কখনো রূঢ় ভাষায় কথা বলেননি। কঠোর সত্যও তিনি বলতেন এমনভাবে, যেন তা ওষুধের মতো তিক্ত হলেও আরোগ্যদায়ক। তাঁর একটি হাদিসে আছে,
“তোমাদের মধ্যে উত্তম সে-ই, যার চরিত্র উত্তম।”
উত্তম আচরণের প্রথম দরজা হলো শব্দচয়ন।একটি মিষ্টি শব্দ অনেক বড় সংঘাত ঠেকাতে পারে,
একটি কোমল বাক্য ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগাতে পারে,
আর একটি ভদ্র ভাষা ইসলামের দাওয়াত হয়ে উঠতে পারে,নীরব, কিন্তু গভীর।অনেকেই ইসলামকে চেনে পোশাক বা আনুষ্ঠানিকতায়,
কিন্তু প্রকৃত ইসলামকে মানুষ অনুভব করে,একজন মুসলিমের ভাষা, আচরণ ও নম্রতায়।
৪
৭ মন্তব্য