Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৭:২১ অপরাহ্ণ

কর্ণফুলী নদীর বর্ণনা

কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরাম প্রদেশের লুসাই পাহাড় (Mizo Hills) থেকে, যা পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে; এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূर्वाঞ্চলের প্রধান ও দ্রুততম নদী, যা কাপ্তাই বাঁধ ও চট্টগ্রাম বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধারণ করে এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিমি, যা অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য অপরিহার্য। 

উৎপত্তি ও গতিপথ 

উৎপত্তি: ভারতের মিজোরাম রাজ্যের মমিত জেলার শৈতা গ্রাম (লুসাই পাহাড়) থেকে এর জন্ম।

প্রবাহ: এটি প্রায় ১৮০ কিমি পার্বত্য পথ অতিক্রম করে রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাইয়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এরপর দক্ষিণ-পশ্চিমে বেঁকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

দৈর্ঘ্য: নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার (বা ২৭০ কিমি)। 

বর্ণনা ও গুরুত্ব

প্রধান নদী: এটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বৃহত্তম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী।

উপনদী: হালদা, কাপ্তাই, রাঙখিয়াং, কাসালাং ইত্যাদি এর প্রধান উপনদী।

কাপ্তাই বাঁধ: কাপ্তাইয়ে এই নদীর ওপর একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর: এর মোহনায় বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব: প্রাচীনকালে এর নাম ছিল 'কাইঞ্চা খাল', যা কালের বিবর্তনে 'কর্ণফুলী' নামে পরিচিতি পায়।

অর্থনৈতিক অবদান: এই নদী সেচ, মৎস্য আহরণ, নৌ-চলাচল ও পর্যটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 


মন্তব্য করুন

ব্লগ