এসডিজি ৪ (SDG 4) বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায়, যার লক্ষ্য প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সকলের সমান সুযোগ, প্রাসঙ্গিক দক্ষতা অর্জন এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা, যেখানে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি ও সমাপনীতে অগ্রগতি করলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান, কারিগরি শিক্ষা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।
অগ্রগতি: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি ও সমাপনীতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, যা SDG 4-এর প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক।
চ্যালেঞ্জসমূহ:
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা: প্রাথমিক স্তরের তুলনায় নিম্ন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার বেশি, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
গুণগত মান: শিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিত করা, বিশেষত শিখন ফল (learning outcomes) উন্নত করা একটি বড় বাধা।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (TVET): কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রসারে বাধা এবং উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন।
শিক্ষকের মান: যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের অভাব ও তাদের প্রশিক্ষণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে।
অন্তর্ভুক্তি: প্রান্তিক ও দুর্বল জনগোষ্ঠীর (যেমন পথশিশু, প্রতিবন্ধী) জন্য শিক্ষার সুযোগ প্রসারিত করা একটি চলমান প্রক্রিয়া।
নতুন অগ্রাধিকার: জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা একটি নতুন অগ্রাধিকার।
বাস্তবায়নে গৃহীত পদক্ষেপ:
সরকার সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (7th Five-Year Plan)-এর মাধ্যমে SDG 4-এর লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সংস্থাগুলো SDG 4 অর্জনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও নীতিমালা প্রণয়ন করছে, যেমন 'পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান' গড়ার উদ্যোগ।
শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
By Moydul Islam Modhu সহকারী শিক্ষক কাদিরাদ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় , পীরগঞ্জ, রংপুর।
১৫
২৫ মন্তব্য