Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

পোস্টাল ব্যালটে ভোটার নিবন্ধনের সময় শেষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন ভোটার। দেশের ভেতরে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪০ জন। বাকি ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪২ জন প্রবাসী। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে তারা নিবন্ধন করেছেন। সোমবার মধ্যরাতে নিবন্ধনের সময় শেষ হয়েছে। ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এবারই প্রথম এত সংখ্যক ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ এবং ভোট দিতে আগ্রহ বাড়ায় নিবন্ধন বেশি হয়েছে।


প্রবাসী ভোটারদের নিবন্ধনবিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সালীম আহমাদ খান মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ সামনে রেখে নিবন্ধিতদের ঠিকানায় জাতীয় সংসদ ও গণভোটের ব্যালট পেপার পাঠানো হচ্ছে।


জানা যায়, বিগত নির্বাচনগুলোয় পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু প্রক্রিয়া জটিল হওয়ার কারণে মানুষের আগ্রহ ছিল না। এবার আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট প্রবর্তন করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রমবারের মতো ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসে ১৯ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়। আর তফসিল ঘোষণার পর নিবন্ধন শুরু হয় দেশে। নিবন্ধনের সময় শেষ হয় সোমবার মধ্যরাতে।


নিবন্ধিতদের মধ্যে ১২ লাখ ৮১ হাজার ৪৩৪ জন পুরুষ এবং ২ লাখ ৫২ হাজার ২৪৬ জন নারী। প্রবাসীরা নিবন্ধন করেছেন ১২৩টি দেশ থেকে। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৬ জন নিবন্ধন করেছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মালয়েশিয়া থেকে নিবন্ধন করেছেন ৮৪ হাজার ২৯২ জন। এছাড়া কাতার থেকে ৭৬ হাজার ১৩৯, ওমান থেকে ৫৬ হাজার ২০৭ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩৮ হাজার ৫৭৪ জন নিবন্ধন করেছেন। ৩০০ আসনের মধ্যে ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ৯০ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৪ হাজার ৩০১ জন। আর ৬৪ জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার সর্বোচ্চ ১ লাখ ১২ হাজার ৯০ জন প্রবাসে থেকে নিবন্ধিত হয়েছেন।


দেশের ভেতরে যারা ডাকযোগে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন, তাদের মধ্যে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ জন সরকারি চাকরিজীবী, ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪২ জন নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং ১০ হাজার ১০ জন আনসার-ভিডিপি। আর কারাগার থেকে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ৬ হাজার ২৮৩ জন।


ইসি কর্মকর্তারা জানান, ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর যার যার আসনের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন নিবন্ধিত ভোটাররা। পরদিন থেকেই ফিরতি ডাক পাঠানো যাবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে আসনভিত্তিক প্রার্থী তালিকা, নাম ও প্রতীক দেখে ‘টিক’ বা ক্রসচিহ্ন দিয়ে তারা ভোট দেবেন পোস্টাল ব্যালটে। দ্রুত সময়ে ভোট দিয়ে ব্যালট ফেরত পাঠাতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট না পৌঁছালে সেই ভোট গণনায় নেওয়া হবে না।


পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধনকারীদের ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় তাগিদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট দেওয়ার পর পোস্টাল ব্যালটের ছবি বা ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা ‘দণ্ডনীয় অপরাধ’ হিসাবে গণ্য হবে। এর জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) স্থগিত করা হতে পারে।






মন্তব্য করুন

ব্লগ