Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৮ অপরাহ্ণ

খনিজ ও শক্তি সম্পদ।।

খনিজ ও শক্তি সম্পদ বলতে বোঝায় পৃথিবী থেকে প্রাপ্ত মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ, যা বিভিন্ন শিল্প ও শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়; এদের প্রধানত ধাতব (যেমন লোহা, তামা) ও অধাতব (যেমন চুনাপাথর, অভ্র) খনিজ এবং শক্তি সম্পদ (কয়লা, তেল, গ্যাস, সৌর, বায়ু, পারমাণবিক) হিসেবে ভাগ করা হয়, যা অনবায়নযোগ্য ও নবায়নযোগ্য—দুই ধরনেরই হতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপরিহার্য। 

খনিজ সম্পদ

সংজ্ঞা: ভূপৃষ্ঠে বা ভূগর্ভে শিলাস্তূপ থেকে প্রাপ্ত অজৈব পদার্থ, যা থেকে ধাতু বা অধাতু পাওয়া যায়, যেমন—লোহা, সোনা, তামা, বক্সাইট।

শ্রেণিবিভাগ:

ধাতব খনিজ: লোহা, তামা, সোনা, দস্তা ইত্যাদি।

অধাতব খনিজ: চুনাপাথর, অভ্র (mica), জিপসাম, লবণ, কাঁচবালি ইত্যাদি। 

শক্তি সম্পদ

সংজ্ঞা: শক্তি উৎপাদন ও ব্যবহারের উৎস, যা খনিজ সম্পদ থেকে (যেমন কয়লা, গ্যাস) অথবা প্রাকৃতিক উৎস (যেমন সূর্য, বায়ু) থেকে আসে।

শ্রেণিবিভাগ:

প্রচলিত (Conventional) উৎস: ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত, যেমন—কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কাঠ, জলবিদ্যুৎ।

অপ্রচলিত (Non-conventional) উৎস: আধুনিক ও নবায়নযোগ্য উৎস, যেমন—সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জোয়ার-ভাটার শক্তি, ভূতাপীয় শক্তি, পারমাণবিক শক্তি। 

গুরুত্ব

অর্থনৈতিক ভিত্তি: যেকোনো দেশের শিল্পায়ন ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো খনিজ ও শক্তি সম্পদ।

শক্তির যোগান: কয়লা, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে অপরিহার্য।

কাঁচামাল: বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ করে (যেমন সিমেন্ট, সার, ইলেকট্রনিক্স)। 


মন্তব্য করুন

ব্লগ