সহকারী অধ্যাপক
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৯:০১ অপরাহ্ণ
নেককাররা থাকবে সুসজ্জিত আসনে... -মোঃ মুজিবুর রহমান
নেককাররা থাকবে সুসজ্জিত আসনে...
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক,
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
নেককাররা থাকবে নেয়ামতের ঘরে,
শান্তির পরশ ঝরে প্রতিটি প্রহরে।
রহমতের আলোয় ভিজে তাদের মন,
দুঃখের ছায়া নেই, নেই কোনো ক্ষণ।
সুসজ্জিত আসনে বসে তারা চায়,
রবের দান করা দৃশ্য—অপরূপ ছায়ায়।
মুখে ফুটে থাকে প্রশান্তির হাসি,
চোখে ভাসে জান্নাতি আলোর রাশি।
পান করানো হবে বিশুদ্ধ পানীয়,
সীলমোহর করা—পবিত্র, দামী, দ্যুতিময়।
তার সুবাসে মিশে থাকবে চিরশান্তি,
রবের নৈকট্যে পূর্ণ হবে সকল প্রাপ্তি।
সে পানীয় উৎসারিত এক প্রস্রবণ,
যেখান থেকে পান করে নৈকট্যপ্রাপ্ত জন।
যারা দুনিয়ায় ছিল সত্যের পথে,
আজ তারা ডুবে আছে নেয়ামতের স্রোতে।
হায়! যদি দৌড়াতে হয় কোনো আকাঙ্ক্ষায়,
এই সৌভাগ্যের দিকেই হোক সকল ধ্যান।
নেক আমলের পথে যে চলে নির্ভীক,
তারই জন্য সাজানো এ জান্নাতের শিখর।
***
নিশ্চয় নেককার সুখে নেয়ামতে বাস,
শান্তির প্রাসাদে মেলে চিরন্তন শ্বাস।
দুঃখের ধূলি নেই, নেই শোকের রেখা,
রবের করুণায় ভরে প্রতিটি দেখা।
সুসজ্জিত আসনে বসে তারা চায়,
জান্নাতি দৃশ্য সব চোখে মিশে যায়।
হাসিতে প্রশান্তি, দৃষ্টিতে নূর,
ক্লান্তি নেই কভু, নেই পথের দূর।
সীলমোহর-পানীয়—বিশুদ্ধ, পবন,
সুবাসে ভরানো শান্তির স্পন্দন।
পান করে অন্তর পায় পরম তৃপ্তি,
রবের নৈকট্যে পূর্ণ হয় প্রাপ্তি।
সে পানীয় ঝরে যে প্রস্রবণধার,
নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করে বারবার।
যারা দুনিয়াতে সত্যে ছিল দৃঢ়,
আজ তাদের ভাগ্যে নেয়ামত সুদৃঢ়।
হে প্রাণ! যদি দৌড়ে চাও শ্রেষ্ঠ ধন,
নেক আমলের পথে দাও সব মন।
এই সৌভাগ্য পেতে সাধনা করো আজ,
সুখের জান্নাতে মিলবে চিররাজ।
****
নেককাররা থাকবে নেয়ামতের ঘরে,
শান্তির পরশ ঝরে প্রতিটি প্রহরে।
রহমতের আলোয় ভিজে তাদের মন,
দুঃখের ছায়া নেই, নেই কোনো ক্ষণ।
সুসজ্জিত আসনে বসে তারা চায়,
রবের দান করা দৃশ্য—অপরূপ ছায়ায়।
মুখে ফুটে থাকে প্রশান্তির হাসি,
চোখে ভাসে জান্নাতি আলোর রাশি।
পান করানো হবে বিশুদ্ধ পানীয়,
সীলমোহর করা—পবিত্র, দামী, দ্যুতিময়।
তার সুবাসে মিশে থাকবে চিরশান্তি,
রবের নৈকট্যে পূর্ণ হবে সকল প্রাপ্তি।
সে পানীয় উৎসারিত এক প্রস্রবণ,
যেখান থেকে পান করে নৈকট্যপ্রাপ্ত জন।
যারা দুনিয়ায় ছিল সত্যের পথে,
আজ তারা ডুবে আছে নেয়ামতের স্রোতে।
হায়! যদি দৌড়াতে হয় কোনো আকাঙ্ক্ষায়,
এই সৌভাগ্যের দিকেই হোক সকল ধ্যান।
নেক আমলের পথে যে চলে নির্ভীক,
তারই জন্য সাজানো এ জান্নাতের শিখর।
****
নিশ্চয় নেককার সুখে নেয়ামতে বাস,
শান্তির প্রাসাদে মেলে চিরন্তন শ্বাস।
দুঃখের ধূলি নেই, নেই শোকের রেখা,
রবের করুণায় ভরে প্রতিটি দেখা।
সুসজ্জিত আসনে বসে তারা চায়,
জান্নাতি দৃশ্য সব চোখে মিশে যায়।
হাসিতে প্রশান্তি, দৃষ্টিতে নূর,
ক্লান্তি নেই কভু, নেই পথের দূর।
সীলমোহর-পানীয়—বিশুদ্ধ, পবন,
সুবাসে ভরানো শান্তির স্পন্দন।
পান করে অন্তর পায় পরম তৃপ্তি,
রবের নৈকট্যে পূর্ণ হয় প্রাপ্তি।
সে পানীয় ঝরে যে প্রস্রবণধার,
নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করে বারবার।
যারা দুনিয়াতে সত্যে ছিল দৃঢ়,
আজ তাদের ভাগ্যে নেয়ামত সুদৃঢ়।
হে প্রাণ! যদি দৌড়ে চাও শ্রেষ্ঠ ধন,
নেক আমলের পথে দাও সব মন।
এই সৌভাগ্য পেতে সাধনা করো আজ,
সুখের জান্নাতে মিলবে চিররাজ।
****
নিশ্চয় নেককার থাকবে নেয়ামতে স্থিত,
রবের দানে ভরা সুখে অটল, অচ্যুত।
দুঃখের ধুলো নেই, নেই শোকের আঁচ,
চিরশান্তির রাজ্যে প্রশান্তির নাচ।
যাদের জীবন ছিল সত্যে অবিচল,
আমলের ভারে যারা ছিল অটল।
লোভের আঁধার পেরিয়ে আলোয় দাঁড়ায়,
আজ তারা নেয়ামতের দুয়ারেই রয়।
দুনিয়ার মাপে ক্ষুদ্র যাদের আশা,
রবের কাছে তারাই পায় মহাকাশা।
অল্পে সন্তুষ্ট, পাপে ভীত মন,
আজ তারাই পায় পরম সম্মান।
****
সুসজ্জিত আসনে তারা বসে চায়,
নূরের জগৎ সব চোখে মিশে যায়।
স্বর্ণিম প্রাসাদ, মুক্তার মিনার,
চারিধারে বয়ে রহমতের ধার।
তাদের দৃষ্টি নয় ক্লান্ত, নয় ভার,
প্রতিটি দেখা ইবাদতের ধার।
যে চোখ দুনিয়ায় হারাম এড়ায়,
আজ সে চোখেই জান্নাত ভেসে যায়।
মুখে তাদের প্রশান্তির হাসি,
অন্তরে নেই কোনো হাহাকার-ভাসি।
রবের সন্তোষে পূর্ণ হৃদয়,
এ সুখের তুলনা নেই দুনিয়ায় কয়।
****
পান করানো হবে বিশুদ্ধ পান,
সীলমোহর করা—অতুল সম্মান।
না তাতে কটুতা, না কোনো ব্যথা,
শান্তির সুধায় ভিজে যায় চেতনা।
তার সুবাসে মিশে নূরের ঘ্রাণ,
রবের দানের এ এক মহান দান।
যে জিহ্বা দুনিয়ায় সত্য বলেছে,
আজ সে জিহ্বাই সুধার স্বাদ পেয়েছে।
প্রতিটি চুমুকে বাড়ে নৈকট্য,
প্রতিটি ঢোঁকে মুছে যায় ক্লান্তি।
এ পানীয়ে নেই কোনো ক্ষয়,
বরং বাড়ে সুখ, বাড়ে নির্ভয়।
সে পানীয় ঝরে প্রস্রবণধার,
নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করে বারবার।
যারা রাত জাগে সিজদায় নত,
আজ তারাই পায় এ সুধার স্বত্ব।
যারা চোখের জল ফেলেছে গোপনে,
আজ তারা হাসে জান্নাতের কোণে।
যারা দুনিয়ায় রবকে বেছে নিয়েছে,
আজ তাদের নাম নৈকট্যে লেখা হয়েছে।
এই প্রস্রবণ নয় সবার জন্য,
এ পুরস্কার ত্যাগী, ধৈর্যের ধন্য।
যে নিজ নাফসকে করেছে দমন,
আজ তারই জন্য এ মহাসমন্বয়।
হে মানব! যদি দৌড়াতে হয় পথে,
এই নেয়ামতের দিকেই দৌড়াও সত্যে।
মরীচিকার পেছনে নয় জীবন,
চিরস্থায়ী সুখেই হোক সাধন।
নেক আমলের পথে করো প্রতিযোগিতা,
এই সৌভাগ্যের চেয়ে নেই মহিমা।
যে আজ সংযমে নিজেকে বাঁধে,
আগামীকাল সে জান্নাতে সাধে।
আজ যদি কষ্ট, ধৈর্য ধরো প্রাণ,
আগামীকাল মিলবে অশেষ সম্মান।
রবের কথায় রাখো অটল বিশ্বাস,
নেককারদের জন্যই এ নেয়ামতের বাস।
নিশ্চয় নেককার থাকবে নেয়ামতে চির,
এই সত্য বাণী অটল, অম্লান, স্থির।
সময় বদলায়, দুনিয়া ক্ষয়,
রবের ওয়াদা কখনো হয় না ক্ষয়।
সুতরাং হে হৃদয়! সত্যে দাঁড়াও,
নাফসের দাবি পায়ে মাড়াও।
যেন সেই আসনে বসতে পারো তুমি,
যেখানে নূর ঝরে অনন্ত ভূমি।
১৫
২৫ মন্তব্য