Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২২ অপরাহ্ণ

মুক্তা (Pearl) হলো এক প্রকার মূল্যবান রত্ন।
মুক্তা (Pearl) হলো এক প্রকার মূল্যবান রত্ন, যা সাধারণত ঝিনুক বা অন্যান্য শম্বুকজাতীয় প্রাণীর খোলসের ভেতর তৈরি হয় এবং এটি ক্যালসিয়াম, পানি ও খনিজের সমন্বয়ে গঠিত। এটি দেখতে গোলাকার বা নানা আকৃতির হতে পারে, সাদা, কালো, গোলাপি বা রুপালি রঙের হয়। মুক্তা অলঙ্কার, ওষুধ ও প্রসাধনীতে ব্যবহৃত হয় এবং বর্তমানে ঝিনুকের মাধ্যমে এর চাষও করা হয়, যা @"মুক্তা চাষ" নামে পরিচিত। 
মুক্তা কী?
  • গঠন: ঝিনুকের ভেতরে কোনো বহিরাগত বস্তু প্রবেশ করলে, ঝিনুক সেই বিরক্তি দূর করতে এক ধরনের পদার্থ নিঃসৃত করে, যা স্তরে স্তরে জমা হয়ে মুক্তা তৈরি করে। এর মূল উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, পানি ও প্রোটিন।
প্রকারভেদ: ঝিনুক মুক্তা, শঙ্খ মুক্তা, গজমতি, মৎস্য মুক্তা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার মুক্তা পাওয়া যায়।রঙ: সাদা, কালো, গোলাপি, সোনালি, রুপালি এবং অন্যান্য নানা রঙের মুক্তা হয়। 
মুক্তা চাষ (Pearl Farming)
  • এটি এক ধরনের জলজ কৃষি, যেখানে ঝিনুকের ভেতরে কৃত্রিমভাবে মুক্তা উৎপাদন করা হয়।
  • বাংলাদেশেও পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি মুক্তা চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে, যা কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে। 
মুক্তার ব্যবহার ও উপকারিতা
  • ব্যবহার: প্রধানত গয়না তৈরিতে, এবং মুক্তার গুঁড়া ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • জ্যোতিষশাস্ত্রীয় উপকারিতা: মানসিক শান্তি, আবেগিক ভারসাম্য, আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে মুক্তা পাথর উপকারী বলে বিবেচিত হয়। 
খাঁটি মুক্তা চেনার উপায় 

  • আসল মুক্তা সাধারণত ঠান্ডা ও ভারী হয়।
  • খাঁটি মুক্তা খুব কমই নিখুঁত গোলাকার হয়, বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে।
  • ফাটল বা নিস্তেজতা ছাড়া উজ্জ্বল ও মসৃণ মুক্তা ভালো মানের হয়। 
মন্তব্য করুন