সিনিয়র শিক্ষক
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
টাইফয়েড সর্ম্পকে কিছু কথা ।
টাইফয়েড জ্বরের বৈশিক এবং বাংলাদেশের চিত্রঃ
টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ । দ্রুত রোগ নির্নয় ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার এ রোগ থেকে সম্পূর্ন সেরে ওঠা সম্ভব । তথাপি এই রোগে অনেকেই অকালে মৃত্যুবরণ করেন। ২০১৯ সালের তথ্য- উপাত্ত অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বের প্রায়-৯০ লক্ষ মানুষ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে প্রায় ১,১্০০০ মৃত্যুবরন ক্রে থাকেন। এর অধিকাংশই মৃত্যু বরন করে দক্ষিন এশিয়াএবং সাব-সাহারান আফ্রিকায়। ২০০০ সাল থেকে তথ্যের বিশ্লেষন দেখা যায় যে, ১৯৯০ সালের তুলনায় বিশ্বে টাইফয়েড জ্বরের প্রকোপ কমেছে ।
টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকির কারন গুলির মধ্যে রয়েছে দ্রিদ্রতা, ঘনবস্তি, অপার্যাপ্ত নিরাপদ পানি , অসাস্থকর পরিবেশ, স্যানিটেশন ও সাস্থবিধি অবকাঠামো এবং অসাস্থকর খাদ্যাভ্যাস।
এরমধ্যে ৪১৯ মিলিয়ন মানুষ এখনো খোলা জায়গায় মল ত্যাগ করে। ধারনা করা হয় যে, বিশ্বে ১০% জনসংখা অপরিশোধিত পানি দিয়ে প্রস্ততৃকত খাবার গ্রহন করে ।বিশ্বে এ রোগে আক্রান্তের হার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশে এ রোগে আক্রান্ত হবার ঝুকিতে থাকা অর্ধেকের বেশি শিশু, যাদের বয়ষ ১৮ বছরের কম। তাই আমাদের সকলের এ রোগের ব্যাপারে শর্তক থাকতে হবে এবং নিয়মিত টীকা গ্রহন করতে হবে ।
৪
৪ মন্তব্য