Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:০২ অপরাহ্ণ

শিক্ষার ভিত তো প্রাক-প্রাথমিক থেকেই!

শিক্ষার ভিত তো প্রাক প্রাথমিক থেকেই!


আমার পাঠ্যবই, শিক্ষাক্রম এসব বিষয়ে তেমন কোন ধারণা নেই বললেই চলে!  ধারণা হবে বা কি করে! বই কি চোখের সামনে এসে বলবে যে আমাকে পড়! না বই কাছে আসে,না আমি বইয়ের কাছে যাই! তাই বলতেই পারি, খুবই সামান্য জ্ঞান। তারপর ও টুকটাক দেখে দেখে শিখতে চেষ্টা করি। সেই ক্ষুদ্র জ্ঞানকে পুজি করে কিছু কথা!

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে শিক্ষার হাতেখড়ি প্রাক- প্রাথমিক থেকে শুরু। কেন জানি মনে হয় শিক্ষার ভিত নয় বরং জীবনের ভিত শুরু হয় প্রাক-প্রাথমিক থেকে।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কেবল অ, আ, ক, খ শেখানোর জায়গা নয়। এটাই শিশুর প্রথম সামাজিক বিদ্যালয়। এখানে শিশু শেখে।

মায়ের হাত ছেড়ে অন্যের হাতে ভর দিতে,নিজের কথা বলতে, আবার অন্যের কথাও শুনতে,লাইন করে দাঁড়াতে, অপেক্ষা করতে, ভাগাভাগি করতে।এই বয়সে শিশুর মনে যে বীজ বপন হয়, তা-ই পরে বড় হয়েএক্স শিক্ষার বৃক্ষ হয়। প্রাক-প্রাথমিকের হাসিমুখের শিক্ষক, রঙিন চার্ট, গল্প, ছড়া, খেলাধুলা—এসবই শিশুর মনে শেখার প্রতি ভালোবাসা তৈরি করে। ভালোবাসা ছাড়া শিক্ষা টেকে না।

এই সময়েই গড়ে ওঠে

🔹 আত্মবিশ্বাস

🔹 কৌতূহল

🔹 শৃঙ্খলা

🔹 সহমর্মিতা

🔹 ভাষার ভিত্তি

একজন শিশু যদি প্রাক-প্রাথমিকেই ভীতু হয়ে পড়ে, ভয় পায়, চাপ অনুভব করে—তাহলে তার পুরো শিক্ষাজীবন সেই ছায়া বহন করে। আবার যদি সে আনন্দে শেখে, নিরাপদ বোধ করে, আপন মনে প্রশ্ন করতে শেখে—তাহলে তার শেখার পথ হয় মসৃণ।

তাই সত্যিই,

প্রাক-প্রাথমিক হলো শিক্ষার ভিত নয়—জীবনের ভিত।

এই ভিত যত মজবুত হবে, শিশুর ভবিষ্যৎ তত আলোকিত হবে।

আপনার মতো একজন শিক্ষক যখন এমন করে ভাবেন, তখন আশাবাদী হওয়া যায়,শিশুরা ভালো হাতেই আছে।

মন্তব্য করুন