সহকারী শিক্ষক
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:২৮ অপরাহ্ণ
ছেদু দাদু ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যকথা
ছেদু দাদু ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যকথা
আমার চিকিৎসা বিজ্ঞান বা স্বাস্থ্য বিষয়ে জ্ঞান নেই বললেই চলে। আর যা আছে তা ১০ এর মধ্যে ১/২! অর্থাৎ শূণ্যের কাছাকাছি। সম্ভবত প্রযুক্তির যুগ বা প্রযুক্তির আধিপত্য চলছে। কিন্তু আমি মনে করি,প্রযুক্তির ছিটেফোঁটা আমাদের দেশে দেখা দেয়। উহ! আমার লেখার বিষয় প্রযুক্তি নয়। আমার লেখা খাদ্য বা খাবার নিয়ে। আমি গ্রামের মানুষ! বুঝি-সুঝি কম। গ্রামের মানুষ তাই গ্রাম সম্পর্কে ধারণা সুগভীর! একটা সময় গ্রামের মানুষ প্রচুর ভাত খেতে পারত! আধা কেজি চাউলের ভাত অনেকেই খেতে পারত! এর বেশি ও অনেকেই। আমাদের বাড়িতে কাজ করত ছেদু! ভালো নাম আমার জানা নেই। মা হয়তো বলতে পারবে। ওনাকে যখন দেখেছি,তখন প্রায় ৬০+ বয়স বা তার বেশি। ছেদু দাদু ১ কেজি চাউলের ভাত ও একসাথে করতে পারত! কি যে পরিশ্রম! সারাদিন কঠোর কাজ করার যোগ্যতা ছিল। সেই বয়সেও এত এত পরিশ্রম! সকালে কাচা লংকা আর সাথে লবণ নিয়েই এক গামলা ভাত শেষ করে দিতে পারত। লবণ আর ঝাল! এক সাথে তাও। কি অবাক বিষয়! শুধু কাচা লংকা আর লবণ দিয়েই এক গামলা ভাত! হুম! নীরোগ ছিল ছেদু দাদু। অথচ এখন লবণ,লংকা দুই নাকি শরীরের জন্য সমস্যা! আগের মানুষ নীরোগ এবং পরিশ্রমী ছিল। আর এখন তো আমাদের শরীর জুড়ে অসুখ! সাথে পরিশ্রম এর বেলায় কুচকুচ হোতা হে! হাস্যকর লাগে সব! তাহলে কি বুঝব,এখনকার থেকে আগের মানুষ পরিশ্রমী ও সুস্থ ছিল।
১৫
২৫ মন্তব্য